kalerkantho

বুধবার । ২২ মে ২০১৯। ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬। ১৬ রমজান ১৪৪০

নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদে রাস্তায় জেলেরা

পিরোজপুর ও শরণখোলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি   

১৮ এপ্রিল, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ইলিশের ভরা মৌসুমে ৬ জ্যৈষ্ঠ থেকে ১০ শ্রাবণ পর্যন্ত ৬৫ দিন বঙ্গোপসাগরে মাছ আহরণের ওপর নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদে বাগেরহাটের শরণখোলায় মানববন্ধন ও সমাবেশ করেছে মৎস্যজীবীরা। গতকাল বুধবার সকালে শরণখোলা প্রেস ক্লাবের সামনের সড়কে জেলা মৎস্যজীবী ট্রলার মালিক সমিতির ব্যানারে এ কর্মসূচি পালিত হয়।  সমাবেশে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের জেলেবিরোধী সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বক্তারা বলেন, ‘১৫ বৈশাখ থেকেই ইলিশের প্রধান মৌসুম শুরু হয়। ভরা মৌসুমে ৬৫ দিন ইলিশ আহরণ বন্ধ থাকলে জেলে সম্প্রদায়ে হাহাকার পড়ে যাবে। পরিবার-পরিজন নিয়ে না খেয়ে মরতে হবে।’ তাঁরা আরো বলেন, ‘এরই মধ্যে মাছ আহরণের জন্য ট্রলার মালিক ও আড়তদাররা লাখ লাখ টাকা বিনিয়োগ করেছেন। এ মুহূর্তে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হলে অপূরণীয় ক্ষতির সম্মুখীন হবে সাধারণ জেলে, শ্রমিক, মালিক ও মৎস্য সংশ্লিষ্টরা।’ তাই মৎস্যজীবীদের জীবন-জীবিকার স্বার্থে ভরা মৌসুমে অবরোধ না দেওয়ার জন্য সরকারের কাছে দাবি জানান বক্তারা।

সমাবেশে বক্তব্য দেন ট্রলার মালিক এম সাইফুল ইসলাম খোকন, রফিকুল ইসলাম কালাম, রায়েন্দা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান মিলন, শরণখোলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি বাবুল দাস, মাছ ব্যবসায়ী মো. জামাল হাওলাদার, তহিদুল তালুকদার প্রমুখ। এর আগে ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধন করা হয়।

কর্মসূচিতে কয়েক শ জেলে, শ্রমিক, ট্রলার মালিক ও রাজনৈতিক দলের নেতারা ছাড়াও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেয়।

অন্যদিকে আগামী ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত মাছ ধরার ওপর নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদে কয়েক শতাধিক জেলে ও মৎস্যজীবী পিরোজপুরে মানববন্ধন করেছে।

জেলা মৎস্যজীবী ট্রলার মালিক সমিতির ব্যানারে গতকাল জেলা শহরের টাউন ক্লাব সড়কে এ মানববন্ধন করা হয়। এ সময় বক্তারা বলেন, ‘বছরের বেশির ভাগ সময় নদী ও সাগরে মাছ ধরা নিষিদ্ধ ঘোষণা করে সরকার। এতে করে গরিব জেলেদের তাদের স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে না খেয়ে দিন কাটাতে হয়। বাধ্য হয়ে তাঁরা অবৈধ ও অন্যায় কাজে জড়িয়ে পড়ে।’ অবিলম্বে নিষেধাজ্ঞা বাতিল না করলে বৃহৎ আন্দোলনের ঘোষণা দেন বক্তারা।

বক্তব্য দেন জেলা মৎস্যজীবী ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি কমল কৃষ্ণ দাস, বিমল কৃষ্ণ দাস, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল জলিল, মো. কালাম শেখ, আ. মান্নান হাওলাদার, আ. হামিদ জোমাদ্দার, আবু সাফায়েৎ প্রমুখ।

মন্তব্য