kalerkantho

শনিবার । ২৫ মে ২০১৯। ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬। ১৯ রমজান ১৪৪০

টঙ্গীতে মাদক ব্যবসায়ীর হাতে পুলিশের সোর্স নিহত

গফরগাঁওয়ে এক ব্যক্তির 'আত্মহত্যা'

টঙ্গী (গাজীপুর) ও গফরগাঁও (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি   

২৩ মে, ২০১৫ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



টঙ্গীর আউচপাড়ার স্কুইব রোড এলাকার মাদক ব্যবসায়ী ও সন্ত্রাসীদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে আহত পুলিশের সোর্স মোমিন (২৭) গত বৃহস্পতিবার রাতে মারা গেছেন। ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান। এ ঘটনায় গতকাল শুক্রবার টঙ্গী মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা করা হয়েছে।

জানা যায়, টঙ্গী থানার পুলিশের সোর্স মোমিন দীর্ঘদিন ধরে টঙ্গীর বিভিন্ন এলাকায় ছিনতাইকারী, মাদক ব্যবসায়ী ও চাঁদাবাজদের গ্রেপ্তারে পুলিশকে সহায়তা করে আসছিলেন। এরই জের ধরে বৃহস্পতিবার দুপুরে এলাকার স্কুইব রোডে ১৫-২০ জন সন্ত্রাসী ও মাদক ব্যবসায়ী তাঁকে আটক করে ধারালো অস্ত্র দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে। এতে মোমিন গুরুতর জখম হন। খবর পেয়ে টঙ্গী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সুমন ভক্ত তাঁকে উদ্ধার করে টঙ্গী সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে তাঁর অবস্থার অবনতি ঘটলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে ঢামেক হাসপাতালে স্থানান্তর করেন। ওই হাসপাতালে নেওয়ার পথে রাত ৯টায় তিনি মারা যান।

এ ঘটনায় তিনজনকে এজাহারনামীয় ও ১০-১৫ জনকে অজ্ঞাতপরিচয় আসামি করে মোমিনের মা মঞ্জুয়ারা বেগম গতকাল থানায় হত্যা মামলা করেন। মোমিন চেরাগআলী এলাকার সুরতরঙ্গ রোডের আবদুস সামাদের ছেলে।

টঙ্গী মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ আলী বলেন, 'মোমিন হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হবে।'

এদিকে ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ের রৌহা গ্রামে ফালু মিয়া (৪৫) নামের এক ব্যক্তি বিষপানে আত্মহত্যা করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত বৃহস্পতিবার রাতে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে।

এলাকাবাসী ও নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, রৌহা গ্রামের মাদকাসক্ত অটোরিকশাচালক চার সন্তানের বাবা ফালু মিয়া প্রায়ই টাকার জন্য স্ত্রী আনোয়ারা বেগমকে মারধর করতেন। গত বৃহস্পতিবার দুপুরে ফালু মিয়া আনোয়ারার কাছে ২৫ হাজার টাকা দাবি করেন। এ নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া হয়। টাকা দিতে অস্বীকার করলে আনোয়ারাকে বেধড়ক পেটান ফালু। সন্ধ্যায় মাদকাসক্ত ফালু তাঁর ছোট ছেলে জনিকে (১৩) নিয়ে বাড়ির পাশের রৌহা কারিগরি স্কুল অ্যান্ড কলেজের মাঠে যান। সেখানে তিনি জনিকে বিষ খাওয়ানোর চেষ্টা করেন। পরে ফালুও বিষ পান করেন। জনি দৌড়ে বাড়ি এসে এ খবর জানায়। পরে পরিবারের সদস্যরা প্রতিবেশীদের সহায়তায় ফালুকে দ্রুত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার সময় ফালু মারা যান।

গফরগাঁও থানার ওসি আবু ওবায়েদা খান বলেন, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

মন্তব্য