kalerkantho

বুধবার । ২২ মে ২০১৯। ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬। ১৬ রমজান ১৪৪০

থাইরয়েড সমস্যা নিয়ন্ত্রণে আনবেন যেভাবে

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৩১ মার্চ, ২০১৯ ১৪:৪৬ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



থাইরয়েড সমস্যা নিয়ন্ত্রণে আনবেন যেভাবে

থাইরয়েড আমাদের শরীরের গলার সামনে অবস্থিত একটি গ্রন্থির নাম। এই গ্রন্থি থেকে থাইরয়েড হরমোন নিঃসৃত হয় যা বিপাক ক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ এবং শরীরের  স্বাস্থ্যকর ওজন ও শক্তি বজায় রাখার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

থাইরয়েড আক্রান্ত হলে দুই ধরনের রোগ হয়। হাইপোথাইরয়েডিজম (আন্ডারেক্টিভ থাইরয়েড গ্লান্ড) এবং হাইপারথাইরয়েডিজম (ওভারেক্টিভ থাইরয়েড গ্লান্ড)। হাইপোথাইরয়েডিজম বা আন্ডারেক্টিভ থাইরয়েড রোগে শরীরের ওজন বেড়ে যেতে পারে। অন্যদিকে, হাইপারথাইরয়েডিজম বা ওভারেক্টিভ থাইরয়েড রোগে ওজন কমে। এ দুটির কোনোটিই স্বাস্থ্যের জন্য ভালো নয়।

অটোইমিউন সমস্যা, হরমোনজনিত ভারসাম্যহীনতা, চাপ, জেনেটিক এবং ব্যাকটেরিয়াজনিত প্রদাহ থেকে থাইরয়েড সমস্যা দেখা দিতে পারে। তবে আপনি যদি স্বাস্থ্যকর থাইরয়েড বজায় রাখতে পারেন তবে থাইরয়েড সমস্যা প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন।

হাইপোথাইরয়েডিজম এমন একটি অবস্থা যাতে শরীরে অতিরিক্ত চর্বি জমা হয়। এই রোগ হলে ওজন হ্রাস করা কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। এ ক্ষেত্রে সঠিক খাদ্যগ্রহণ এবং ব্যায়ামের মধ্যে সমন্বয়ের বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ।

থাইরয়েড রোগীদের জন্য কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ:
খাদ্য তালিকায় প্রোটিন ও ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। এ ধরনের খাবারের মধ্যে রয়েছে ডিম, মুরগির মাংস, লেবু, ডাল, দুগ্ধজাত দ্রব্য, ফল এবং সবজি।

প্রোটিন এবং ফাইবার ছাড়াও আপনাকে অবশ্যই কমপ্লেক্স কার্বোহাইড্রেট খাবার তালিকায় রাখতে হবে। শাকসবজি এবং মটরশুটি এ ধরনের খাবারের অন্তর্ভুক্ত।

যদি আপনি ওজন কমানোর পরিকল্পনা করেন তবে আয়োডিন গ্রহণও গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু প্রক্রিয়াজাত লবণের পরিবর্তে প্রাকৃতিক উৎস থেকে আয়োডিন গ্রহণের চেষ্টা করতে হবে।

শারীরিক কর্মকাণ্ডও দৈনন্দিন রুটিনে রাখতে হবে। যেমন হাঁটা, দৌড়ানো, সাঁতার, ইয়োগা ইত্যাদি।

পর্যাপ্ত ঘুমাতে হবে।

করবেন না এমন গুরুত্বপূর্ণ কিছু :
খাবার তালিকা থেকে জাঙ্ক ফুড বাদ দেওয়ার চেষ্টা করুন। কারণ এতে কোনো পুষ্টিমান নেই, আছে কেবল ওজন বৃদ্ধির উপকরণ।

চিনিও বাদ দিতে হবে। রিফাইন্ড আটা-ময়দা ও চিনি দিয়ে তৈরি ক্যান্ডি, চকলেট, মাফিন এবং অন্যান্য বেকারি আইটেম বর্জন করতে হবে।

এ ছাড়া প্রক্রিয়াজাত খাবার এবং অতিরিক্ত চর্বি এবং ক্যালোরিযুক্ত খাবারও এড়িয়ে চলার চেষ্টা করুন। 

সূত্র : এনডিটিভি 

মন্তব্য