kalerkantho

শনিবার  । ১৯ অক্টোবর ২০১৯। ৩ কাতির্ক ১৪২৬। ১৯ সফর ১৪৪১                     

পেটের চর্বি কমাতে ব্যায়াম ও খাবার

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২৫ মার্চ, ২০১৯ ১৬:৩০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পেটের চর্বি কমাতে ব্যায়াম ও খাবার

পেটের চর্বির ব্যাপারে চিন্তিত নয়- এমন লোক খুঁজে পাওয়া কঠিন। সত্যিই যদি আপনি পেটের চর্বি কমাতে চান তবে সহায়ক খাবার গ্রহণ এবং নিয়মিত ব্যায়াম দুটোই পাশাপাশি চালাতে হবে।

সুতরাং, স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণ এবং ব্যায়ামের পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে যান সামনে। মনে রাখবেন পেটের চর্বি কমানো দরকার কেবল বেঢপ দেখার জন্য নয়, এটি হৃদরোগ, টাইপ-২ ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ এবং আরো অনেক রোগের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।

অস্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণের অভ্যাস, বেশিরভাগ সময় বসে কাজ করার অভ্যাস, ঘুমের অভাব ইত্যাদি বিষয়গুলো পেটে চর্বি হওয়ার কয়েকটি কারণ।

নিচে কয়েকট স্বাস্থ্যকর খাবার ও ব্যায়াম সম্পর্কে তুলে ধরা হলো:
প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটলে তা পেটের চর্বি গলতে সাহায্য করে। হাঁটায় খুব দ্রুত ক্যালোরি খরচ হয়। এটি রক্তে ​​শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ, উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ এবং হাড়কে শক্তিশালী করতে সাহায্য করে। 

অন্য কঠোর পরিশ্রমের মতো জুমবাও পেটের চর্বি কাটাতে সাহায্য করে। এটিও হৃদরোগের ঝুঁকি, রক্তচাপ এবং খারাপ কোলেস্টেরল কমায়। যদিও এ ধরনের ব্যায়ামের জন্য কিছু সরঞ্জাম প্রয়োজন হয়।

ক্রাঞ্চ ব্যায়ামও পেটের চর্বি কমাতে খুবই উপকারী। পেটের চর্বি কমানোর পাশাপাশি এটি তলপেটের পেশির শক্তি বৃদ্ধিতেও এটি সাহায্য করে।

হাঁটার মতো, সাইকেল চালানোও একটি চমৎকার ব্যায়াম। এই ব্যায়ামে ক্যালোরি খরচ হয় এবং সামগ্রিকভাবে স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটায়। সুতরাং, নিকটবর্তী স্থানে রিকশার পরিবর্তে সাইকেল ব্যবহার করতে পারেন।

খেলাধুলা এমন ব্যায়াম যা একদিকে শরীরের চর্বি কমিয়ে শরীরকে ফিট রাখবে পাশাপাশি আপনি আনন্দও পাবেন।

পেটের চর্বি কমাতে স্বাস্থ্যকর খাবার :
চর্বি কমাতে ব্যায়ামের পাশাপাশি খেতে হবে স্বাস্থ্যকর ও সুষম খাবার। তবে পেটের চর্বি কমাতে চর্বি এবং কার্বোহাইড্রেটযুক্ত খাবার খেতে হবে। এ ছাড়া গুরুত্ব দিতে হবে প্রোটিন ও ফাইবারের ওপর। কারণ এই দুটি পুষ্টি আপনার ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করবে। ফলে পরবর্তীতে অতিরিক্ত খাবার গ্রহণে নিরুৎসাহিত হবেন আপনি।

ডিম, মুরগির মাংস, মাছ, বাদাম, বীজ, দুগ্ধজাত দ্রব্য, তাজা ফল, সবজি, সোয়া পণ্য, শস্য, মরিচ এবং লেবু স্বাস্থ্যকর খাবারের অন্তর্ভুক্ত। তবে চর্বিযুক্ত খাবার, কড়া ভাজা এবং জাঙ্ক ফুড খাওয়ার পরিমাণ সীমাবদ্ধ রাখতে হবে। কেননা, প্রক্রিয়াজাত এবং হিমায়িত খাবারে থাকে রাসায়নিক এবং এতে থাকে না কোনো পুষ্টিমান।

সূত্র : এনডিটিভি 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা