kalerkantho

সোমবার । ২১ অক্টোবর ২০১৯। ৫ কাতির্ক ১৪২৬। ২১ সফর ১৪৪১                       

চা নাকি কফি- সকালের নাস্তায় কোনটি ভালো?

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৯ মার্চ, ২০১৯ ২০:৩২ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



চা নাকি কফি- সকালের নাস্তায় কোনটি ভালো?

সকালের নাস্তায় চা ভালো নাকি কফি? বিতর্কটি অনেক পুরনো। দুই ক্যাফিনযুক্ত পানীয়ই বিশ্বব্যাপী ব্যাপক জনপ্রিয়। কেউ কেউ দুধের সঙ্গে চা পছন্দ করেন, কেউ কেউ চায়ের সঙ্গে মধু মিশিয়ে পান করেন। আবার কেউ কেউ লেবু দিয়ে রং চা পছন্দ করেন।

একইভাবে, কিছু লোক ব্লাক কফি পছন্দ করেন। কেউবা পছন্দ করেন দুধের সঙ্গে কফি।

কিন্তু প্রশ্নটি থেকেই যায়, সকালে কোন পানীয়টি স্বাস্থ্যকর? আমরা জানি, অতিরিক্ত পরিমাণে ক্যাফিন গ্রহণ স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। প্রতিদিন ক্যাফিনের পরিমাণ বেশি গ্রহণ করা হলে স্নায়বিকতা, উদ্বেগ, পেটের সমস্যা এমনকি অনিয়মিত হৃদস্পন্দনসহ বেশ কিছু সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে। এ কারণে বেশিরভাগ স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ অতিরিক্ত ক্যাফিন গ্রহণ বাদ দেওয়ার উপদেশ দেন।

ইউএস ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বা এফডিএস নিরাপদ ক্যাফিন ব্যবহারের সীমা ৪০০  মিলিগ্রাম নির্ধারণ করেছে যা পাওয়া যায় ছোট কাপের চার-পাঁচ কাপ কফিতে।

এসব বিবেচনায় দেখা যাক কোনটি আসলে ভালো:

চা বা কফি: ব্রেকফাস্টে কী খাওয়া উচিত?
চা এবং কফি- উভয় পানীয়তেই যেমন সুবিধা আছে তেমনি আছে অসুবিধাও। সাধারণত দুধ ও চিনি ছাড়াই চা ও কফি খাওয়া স্বাস্থ্যকর বলে মনে করা হয়। তবে ব্ল্যাক কফিতে ব্লাক চায়ের চেয়ে বেশি ক্যাফিন থাকে। প্রতি আট আউন্স (আনুমানিক ২৩৬  এমএল) ব্লাক চায়ে প্রায় ৫৫ মিলিগ্রাম ক্যাফিন থাকে তবে কফিতে থাকে প্রায় দ্বিগুণ পরিমাণ অর্থাৎ প্রতি আট আউন্সে ১০০ মিলিগ্রাম। তাই, যদি আপনার ক্যাফিনের ব্যাপারে অসুবিধা থাকে কিংবা গ্যাস্ট্রিক সমস্যা থাকে তবে কালো কফির পরিবর্তে কালো চা পান করা ভালো।

ব্ল্যাক কফি টাইপ-২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমায়। এটি  বিপাক এবং অ্যানার্জি লেভেল উন্নত করে ওজন পরিচালনায় সাহায্য করে। এমনকি চেতনা শক্তির উন্নতি ঘটায় এবং আলঝেইমারস এবং ডিমেনশিয়ার ঝুঁকি কমায়। কালো কফি কালো চায়ের চেয়ে বিপাক ক্রিয়ার জন্য বেশি ভালো।

অন্যদিকে, চায়ের মধ্যে সবুজ, কালো, সাদা ও ওলং-সহ বিভিন্ন ক্যাফিন সমৃদ্ধ আইটেম আছে। আপনি যে ক্যাফিনযুক্ত চা পছন্দ করেন তার ওপর নির্ভর করবে চায়ের স্বাস্থ্য সুবিধা। ব্লাক চা রক্তচাপ হ্রাস, রক্তের চিনি পরীক্ষা এবং এমনকি স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায়। চায়ের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হৃদযন্ত্রের কার্যক্রম সঠিভাবে পরিচালনায় সাহায্য করে এবং শরীরের প্রদাহের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে। সুতরাং, এখন আপনি সিদ্ধান্ত নিন কোনটি আপনার জন্য বেশি উপযোগী। 

সূত্র : এনডিটিভি 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা