kalerkantho

শনিবার । ২৪ আগস্ট ২০১৯। ৯ ভাদ্র ১৪২৬। ২২ জিলহজ ১৪৪০

ফিটনেস

ব্যায়াম করতে হবে জেনেশুনে

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৯ জানুয়ারি, ২০১৮ ১১:১৪ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ব্যায়াম করতে হবে জেনেশুনে

কৈশোরে ব্যায়াম করেনি এমন কাউকে খুঁজে পাওয়া কঠিন। কৈশোরে ব্যায়ামের অভিজ্ঞতা তো আছেই, পাশাপাশি বন্ধু বা সহকর্মীদের কাছ থেকে শুনে ব্যায়াম বিষয়ে জ্ঞানার্জন করে কেউ কেউ নিজেকে ফিটনেস বিশেষজ্ঞও ভাবতে শুরু করেন। সমস্যাটা হয় তখনই। কেননা এটা অল্প বিদ্যা ভয়ংকরীর মতোই ব্যাপার। অল্প বিদ্যা নিয়ে বিশেষজ্ঞ হওয়ায় বিপদ হতে পারে। শঙ্কা থাকে ইনজুরিতে পড়ার। ফিটনেস নিয়ে অবশ্য বেশ কিছু প্রচলিত ধারণা আছে। যার বেশির ভাগই ভুল। এসব ধারণা নিয়ে ব্যায়াম করা উচিত নয়।

প্রচলিত ধারণা ১

ট্রেডমিলের ওপর দৌড়ানোর সময় হাঁটুর ওপর তার থেকে কম চাপ দেওয়ার ধারণা
কোথায় দৌড়ানো হচ্ছে এটা কোনো ব্যাপার নয়। হতে পারে পিচঢালা রাস্তা বা ট্রেডমিল। যেখানে দৌড়ানো হোক না কেন দৌড়ানোর ফলে হাঁটুতে চাপ পড়ে। বিভিন্ন জয়েন্টের ওপর শরীরের ওজন নির্ভর করে, এর ফলেই হাঁটুর ওপর চাপ তৈরি হয়। এই চাপটা যাতে বেশি না পড়ে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। এ জন্য একসঙ্গে দীর্ঘ সময় না দৌড়িয়ে ছোট ছোট ধাপে দৌড়ানো উচিত।

প্রচলিত ধারণা ২

সাঁতার দ্রুত ওজন কমাতে সাহায্য করে
নিয়মিত সাঁতার ফুসফুসের সক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। মাংসপেশিকেও করে শক্তপোক্ত। অনেকের ধারণা সাঁতার ওজন কমাতে সাহায্য করে। এ ধারণা মোটেও ঠিক নয়। তবে এটি ঠিক সাঁতার একটি কঠিন ব্যায়াম, তবে সবার জন্য নয়। কঠিন তাদের জন্য যারা এটি নতুন শিখছে। কিন্তু যখন কারো সাঁতার শেখা হয়ে যায়, পানি থেকে শরীর সমর্থন পায়, তখন যতটা কঠিন হওয়ার কথা ততটা আর হয় না। তবে সাঁতার ক্ষুধা বাড়িয়ে দেয়। ফলে স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে সাঁতারের পর তুলনামূলক বেশি খাবার খাওয়া যায়।

প্রচলিত ধারণা ৩

যোগ ব্যায়ামে পিঠের ব্যথা থেকে মুক্তি
যোগ ব্যায়াম পিঠের ব্যথা সারাতে দারুণ কার্যকর- এমন ধারণা অনেকের। ধারণা ঠিক আছে, তবে সব ক্ষেত্রে নয়। যেসব ব্যথা মাংসপেশি সম্পর্কিত, সেসব ক্ষেত্রে যোগ ব্যায়াম ভালো কাজ করে। কিন্তু পিঠের ব্যথাটা যদি মেরুদণ্ডের দুই হাড়ের মাঝখানে থাকা অংশ ছিঁড়ে যাওয়ার ব্যাপারে হয়ে থাকে, তাহলে যোগ ব্যায়াম কোনো উপকারে আসবে না।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা