kalerkantho

রবিবার । ২৬ মে ২০১৯। ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬। ২০ রমজান ১৪৪০

ভুল সবই ভুল

ডোডো পাখি বোকা আর মোটা ছিল

সবাই সত্যি জানে—এমন অনেক কথা পরে যাচাই করে দেখা গেছে সেগুলো মিথ্যা। লিখেছেন আসমা নুসরাত

৬ এপ্রিল, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ডোডো পাখি বোকা আর মোটা ছিল

ছবি দেখে দেখে মানুষের এই ভুল ধারণা হয়েছে যে ডোডো পাখি নাদুসনুদুস ছিল। খাঁচার ডোডোগুলো সম্পর্কে এটি খানিকটা খাটে; কিন্তু ২০০৭ সালে ডোডোর যে পূর্ণাঙ্গ কঙ্কাল মিলেছে, তা দেখে বিজ্ঞানীরা নিশ্চিত, পাখিটা হালকা গড়নের। আর পাখিটাকে বোকা মনে করার কারণ আন্দাজ করা যায়। মরিশাসে ভিনদেশিরা ১৫৯৮ সালে পা রাখার মাত্র ৭৫ বছরের মধ্যেই ডোডো দুনিয়া থেকে নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়। লোকে তাই ভাবল, একটু চালাক-চতুর হলে তো এদিক-ওদিক পালিয়ে বাঁচতে পারত। কিন্তু তাদের খুলি সিটি স্ক্যান করে দেখা গেছে, ঘুঘুর মতোই বুদ্ধিমান পাখি ডোডো। ঘুঘু মানুষের চেহারা মনে রাখতে পারে আর তাদের কিছু গাণিতিক সামর্থ্যও আছে।

তখন লোকে ভাবল, তাহলে বুঝি ডোডোর মাংস খুব সুস্বাদু ছিল। তাই শিকারিরা যত কষ্টই হোক, ডোডো শিকার না করে দুপুরে খেতে বসত না। কিন্তু এ ধারণাকে ভুল বললেন আলেকজান্ডার গর্ডন মেলভিল। মেলভিল একজন মশহুর ডোডো গবেষক। তিনি বললেন—না, ডোডোর গোশত বেশি মজার ছিল না। আসলে ডোডো নিশ্চিহ্ন হয়েছে কারণ ডোডো ধরতে শিকারিকে কোনো বেগ পেতে হতো না। আর এটি হয়েছে বোকার জন্য নয়; বরং অনভিজ্ঞ বলে। কারণ ডোডো এর আগে কখনোই শিকারির মুখে পড়েনি। তাই প্রতিকূল পরিস্থিতিতে বাঁচার উপায় পাখিগুলোর জানা ছিল না।

মন্তব্য