kalerkantho

রবিবার । ২৬ মে ২০১৯। ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬। ২০ রমজান ১৪৪০

ভুল সবই ভুল

পিরানহা জীবন্ত মানুষকে কঙ্কাল বানিয়ে ফেলে মুহূর্তেই

সবাই সত্যি জানে—এমন অনেক কথা পরে যাচাই করে দেখা গেছে সেগুলো মিথ্যা। লিখেছেন আসমা নুসরাত

২৭ অক্টোবর, ২০১৮ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পিরানহা জীবন্ত মানুষকে কঙ্কাল বানিয়ে ফেলে মুহূর্তেই

প্রথমেই পরিষ্কার করে নেওয়া যাক, জীবন্ত প্রাণী, বিশেষ করে মানুষের ধারে-কাছে ঘেঁষতে চায় না পিরানহা। আমেরিকার মাছ বিশেষজ্ঞ ড. হার্বাট এক্সেলরড একবার রেড বেলিড (লাল পেট) পিরানহায় ভরা একটি সুইমিংপুলে সাঁতার কেটেছেন। তিনি পিরানহাদের প্রলুব্ধ করতে এক ব্যাগ তাজা মাংসও বহন করেছিলেন; কিন্তু বলার মতো কোনো ঘটনাই ঘটেনি। তবে গবেষকরা প্রাণীটিকে জলের শকুন বলে থাকেন। মৃত প্রাণী পেলে পিরানহা ডিনার সারে। ২০০৫ সালে একটি পিরানহাকে একা একটি ট্যাংকে ছেড়ে দিয়ে দেখা গেছে, সেটি ভয় পাচ্ছে। শিকার হওয়া থেকে বাঁচার জন্য প্রাণীটি দলেবলে ঘোরে। কারণ ডলফিন, পাখি, বড় মাছ পিরানহা পেলে ছাড়ে না। সমস্যাটা তৈরি করেছেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট থিওডর রুজভেল্ট। ১৯১৩ সালে তিনি ব্রাজিল গিয়েছিলেন। আমাজনের পারে দাঁড়িয়ে নাকি দেখেছিলেন, একটি গরুকে মুহূর্তের মধ্যেই কঙ্কাল বানিয়ে ছাড়ল একদল পিরানহা। তিনি পরের বছরই এ ঘটনার বিশদ বর্ণনা দিয়ে বই লিখেছিলেন—থ্রু দ্য ব্রাজিলিয়ান ওয়াইল্ডারনেস। তিনি বলেছিলেন, পিরানহার মতো ভয়ংকর মাছ পৃথিবীতে নেই। ১৯৭৮ সালে হলিউড পিরানহা নামে হরর ছবি বানিয়ে মাছটিকে আরো ভয়ংকররূপে উপস্থাপন করল। গবেষকরা দুঃখ করে বললেন, পিরানহার কপাল খারাপ। খুনি না হয়েও সে তকমা নিয়ে বাঁচতে হচ্ছে।

মন্তব্য