kalerkantho

শুক্রবার । ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২ । ১৫ আশ্বিন ১৪২৯ ।  ৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪৪

তুরস্কে বঙ্গমাতার ৯২তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৯ আগস্ট, ২০২২ ০২:১৭ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



তুরস্কে বঙ্গমাতার ৯২তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন

তুরস্কের আংকারাস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস বঙ্গমাতা ফজিলাতুন নেছা মুজিবের ৯২তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে। সোমবার (৮ আগস্ট) দুপুরে রাষ্ট্রদূত মাসুদ মান্নান বঙ্গমাতা ফজিলাতুন নেসা মুজিবের প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণের মধ্যে দিয়ে দিবসটির আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়।

মূল অনুষ্ঠানের শুরুতেই পবিত্র কোরআন থেকে তিলওয়াত এবং বঙ্গমাতা ও বঙ্গবন্ধু পরিবার ও স্বাধীনতা যুদ্ধের সকল শহীদের আত্মার মাগফেরাত এবং দেশ ও জাতির মঙ্গল কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

এরপর রাষ্ট্রপতির বাণী পাঠ করেন রাষ্ট্রদূত মাসুদ মান্নান ও প্রধানমন্ত্রীর পাঠানো বাণী পাঠ করেন দূতাবাসের মিনিস্টার ও মিশন উপ-প্রধান মিজ শাহ্নাজ গাজী।

বিজ্ঞাপন

বাণী পাঠের পর মন্ত্রণালয় হতে পদেয়া বঙ্গমাতা ফজিলাতুন নেসা মুজিবের কর্মময় জীবনের ওপর নির্মিত ভিডিও প্রদর্শিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রবাসী বাংলাদেশি ছাড়াও রিপাবলিক অব কংগো, ডোমেনিকান রিপাবলিক, ভারত, নাইজেরিয়া, তাজিকিস্তান ও মিশরের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পর্বে শিশুদের মধ্যে ছড়া পাঠ ও কবিতা আবৃত্তি প্রতিযোগীতার আয়োজন করা হয় এবং তাদের মাঝে পুরস্কার প্রদান করেন তুরস্ক রাষ্ট্রদূত। একই অনুষ্ঠানে কিছুদিন পূর্বে সিলেটের বানভাসি মানুষদের জন্য সাহায্য পাঠানোয় বাংলাদেশ দূতাবাস আংকারাস্থ শেখ রাসেল শিশু কর্নারের শিশু কিশোর সদস্যদের হাতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে পাঠানো ধন্যবাদ চিঠি তুলে দেওয়া হয়।

বঙ্গমাতার ৯২তম জন্মবার্ষিকীর প্রতিপাদ্য বিষয় ‘মহীয়সী বঙ্গমাতার চেতনা, অদম্য বাংলাদেশের প্রেরণার’ ওপর ভিত্তি করে তাঁর কর্মময় জীবন ও বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতাযুদ্ধে তার অবদানের ওপর স্মৃতিচারণমূলক বক্তব্যে তুরস্ক রাষ্ট্রদূত বলেন, বঙ্গবন্ধুর সংগ্রামী জীবনে বঙ্গমাতা ফজিলাতুন নেছা মুজিবের অবদান ও আত্মত্যাগের কথা এবং বঙ্গবন্ধু পরিবারের গৌরবময় জীবন তাঁর আলোচনায় ফুটে উঠে। বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর বঙ্গমাতা ফার্স্টলেডির মর্যাদা ভোগ না করে অতি সাধারণ জীবনযাপন করতেন এবং মুক্তিযুদ্ধে নির্যাতিত বাঙালি নারীদের সামাজিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় আত্মনিয়োগ করেন। ’

পরিশেষে, রাষ্ট্রদূত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা প্রকাশ করেন এবং সকল মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযুদ্ধে আত্মোৎসগর্কারী শহীদদের স্মরণ করেন।

রাষ্ট্রদূত তুরস্ক দূতাবাসে ‘বঙ্গমাতা ফজিলাতুন নেছা মুজিব নারী ও শিশু প্রশিক্ষণ’ কর্মসূচির উদ্বোধন ঘোষণা করেন ও উপহার বিতরণ করেন। এই কর্মসূচির অধীনে শিশুদেরকে বাংলাভাষা, নাচ, গান, আবৃত্তি এবং মহিলাদের রান্না ও সেলাই প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। সবশেষে, বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেসা মুজিবের জন্মদিন উপলক্ষে কেক কাটা হয় এবং আমন্ত্রিত অতিথিদের মধ্যে বাংলাদেশি খাবার পরিবেশন করা হয়।



সাতদিনের সেরা