kalerkantho

বুধবার । ৪ কার্তিক ১৪২৮। ২০ অক্টোবর ২০২১। ১২ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

সুইডেনে বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় শোক দিবসের ওয়েবিনার

সাব্বির খান, স্ক্যান্ডিনেভিয়া প্রতিনিধি   

৭ আগস্ট, ২০২১ ১৯:১৯ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



সুইডেনে বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় শোক দিবসের ওয়েবিনার

গত ৬ আগস্ট ২০২১ শুক্রবার জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ও মুজিববর্ষ উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ দূতাবাস-স্টকহোম কর্তৃক জুম প্ল্যাটফর্মে ‘বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় শোক দিবস’ শীর্ষক এক ওয়েবিনারের আয়োজন করা হয়। রাষ্ট্রদূত মো. নাজমুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং দূতাবাসের প্রথম সচিব আমরিন জাহানের উপস্থাপনায় অনুষ্ঠানে মূলবক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা লেফটেন্যান্ট কর্ণেল (অব:) কাজী সাজ্জাদ আলী জহির, বীর প্রতিক এবং বিশেষ বক্তা ছিলেন ডি. এম. সালাহ উদ্দীন মাহমুদ, মহাপরিচালক, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর জন্মশতবার্ষিকী ও বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন সেল, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। সুইডেন, নরওয়ে এবং ফিনল্যান্ডে অবস্থানরত বাংলাদেশী কমিউনিটির সদস্যবৃন্দ অনলাইনে এবং দূতাবাসের কর্মকর্তা- ও কর্মচারীগণ সরাসরি দূতাবাস প্রাঙ্গন থেকে ওয়েবিনারে অংশগ্রহণ করেন।

ওয়েবিনারের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তিলাওয়াত করা হয়। মূলবক্তা বীর মুক্তিযোদ্ধা লেফটেন্যান্ট কর্ণেল (অব:) কাজী সাজ্জাদ আলী জহির, বীর প্রতিক ‘বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় শোক দিবস’ বিষয়ে তাঁর বক্তব্যে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাস এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রাজনৈতিক সংগ্রাম, মুক্তিযুদ্ধে এবং যুদ্ধ পরবর্তী স্বাধীন বাংলাদেশে তাঁর বিশেষ অবদানের কথা তুলে ধরেন। তিনি ১৫ই আগস্টের সেই মর্মন্তুদ ঘটনাবলী ছাড়াও গবেষণালব্ধ বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত এবং ব্যক্তিগত বিভিন্ন অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে বলেন, বাঙালির মুক্তির মহানায়ক জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতা সংগ্রাম শেষে যখন ক্ষত-বিক্ষত অবস্থা থেকে দেশটির পুনর্গঠন ও অর্থনৈতিক মুক্তি নিশ্চিত করতে চেয়েছিলেন, তখনই ঘটানো হয় ইতিহাসের নির্মম এ হত্যাকান্ড। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গঠনের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।

বিশেষ বক্তা ডি. এম. সালাহ উদ্দীন মাহমুদ তাঁর বক্তব্যে বাংলার মানুষের জন্য বঙ্গবন্ধুর আত্মত্যাগ, তাঁর মানবিক গুণাবলি- এবং রাজনৈতিক বিচক্ষণতার বিভিন্ন দিকগুলো তুলে ধরেন। শোক প্রকাশের আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে বঙ্গবন্ধুর চেতনা ও আদর্শকে ধারণ করে সবাইকে যার যার অবস্থান থেকে কাজ করার আহবান জানান তিনি।

সভাপতির বক্তব্যে রাষ্ট্রদূত মো. নাজমুল ইসলাম স্বাধীন বাংলাদেশের মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে গভীর শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করে বলেন, ‘বাঙালির মহান নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান চিরঞ্জীব এবং তাঁর চেতনা অবিনশ্বর। জাতির পিতাকে হারানোর যে শোক বাঙালী জাতির বুকে যুগ যুগ ধরে বহমান, তাকে শক্তিতে রূপান্তরিত করে সুখী-সমৃদ্ধ দেশ গঠনের কাজে আত্মনিয়োগ করতে হবে’। তিনি দেশ গড়ার কাজে সকলের স্বতস্ফুর্ত অংশগ্রহণের প্রতি আহবান জানান।

এছাড়াও, অনলাইনে উপস্থিত সুইডেন, নরওয়ে এবং ফিনল্যান্ডে অবস্থানরত প্রবাসী বাংলাদেশীদের অনেকেই উন্মুক্ত আলোচনায় অংশ নেন। বক্তারা প্রজন্ম থেকে প্রজন্মের কাছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অবিনাশী চেতনা- ও আদর্শ চির প্রবহমান থাকবে বলে আশা- ও অঙ্গীকার প্রকাশ করেন।



সাতদিনের সেরা