kalerkantho

রবিবার । ২৬ বৈশাখ ১৪২৮। ৯ মে ২০২১। ২৬ রমজান ১৪৪২

স্টকহোম বাংলাদেশ দূতাবাসে মুজিবনগর দিবস পালিত

সাব্বির খান, সুইডেন থেকে   

১৭ এপ্রিল, ২০২১ ২০:১৫ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



স্টকহোম বাংলাদেশ দূতাবাসে মুজিবনগর দিবস পালিত

সুইডেনে বাংলাদেশ দূতাবাস যথাযথ মর্যাদায় ঐতিহাসিক ’মুজিবনগর দিবস-২০২১’ পালন করেছে। শনিবার (১৭ এপ্রিল) এ দিবসটিকে কেন্দ্র করে অনলাইনে জুম প্লাটফর্মে এক আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সুইডেন, নরওয়ে এবং ফিনল্যান্ডে অবস্থানরত বাংলাদেশি কমিউনিটির সদস্যবৃন্দ অনলাইনে এবং দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারিগণ সরাসরি দূতাবাস প্রাঙ্গন থেকে এ অনুষ্ঠানে যোগ দেন। 

রাষ্ট্রদূত মো. নাজমুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং দূতাবাসের প্রথম সচিব আমরিন জাহানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র ধর্মগ্রন্থ থেকে পাঠ এবং দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ও অনলাইনে অংশগ্রহণকারী অতিথিদের সমবেত কণ্ঠে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়। দিবসটি উপলক্ষে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি প্রেরিত বাণী পাঠ করেন রাষ্ট্রদূত মো. নাজমুল ইসলাম এবং প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ করেন প্রথম সচিব মো. মোরশেদুর রহমান তালুকদার। 

অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে অনুষ্ঠিত হয় উন্মুক্ত আলোচনা। এতে অংশ নেন সুইডেন, নরওয়ে এবং ফিনল্যান্ডে অবস্থানরত প্রবাসী বাংলাদেশিরা। বক্তারা মুজিবনগর সরকারের ইতিহাস, মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও তাৎপর্যের ওপর আলোকপাত করে বলেন, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে মুজিবনগর সরকারের গুরুত্ব ও অবদান অবিস্মরণীয়। সেই সরকারের নেতৃত্বেই দীর্ঘ নয় মাসের মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে বাঙালি জাতি অর্জন করেছিল বহু কাঙ্ক্ষিত স্বাধীনতা এবং সেই সাথে দেশকে স্বাধীন করেছিল পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর কড়াল গ্রাস থেকে। 

রাষ্ট্রদূত মো. নাজমুল ইসলাম তাঁর বক্তব্যের সূচনায় সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, মহান স্বাধীনতার স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন। এ সময় তিনি শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন জাতীয় চার নেতা শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম, শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ, শহীদ ক্যাপ্টেন মনসুর আলী এবং শহীদ আবুল হাসনাত মোহাম্মদ কামারুজ্জামানকে, যাঁদের সুদক্ষ ও বলিষ্ঠ নেতৃত্বে ঐতিহাসিক মুজিবনগর সরকার পরিচালিত হয়েছিল। মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী ত্রিশ লক্ষ শহীদ এবং সম্ভ্রম হারানো দুই লক্ষ মা বোন ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সশ্রদ্ধ চিত্তে স্মরণ করে বলেন, যুদ্ধকালীন সময় বিদেশে পাকিস্তানি বিভিন্ন দূতাবাসসমূহে নিযুক্ত বাঙালি কূটনীতিকদের জাতীয় সংগ্রামের প্রতি আনুগত্য ঘোষণা ছিল দৃষ্টান্তমূলক, যা তখন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে জনমত গড়ে তুলতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করেছিল। ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবসের শিক্ষা ও চেতনা প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে বাঙালি জাতিকে অনুপ্রেরণা ও শক্তি জোগাবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।



সাতদিনের সেরা