kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৭ মাঘ ১৪২৭। ২১ জানুয়ারি ২০২১। ৭ জমাদিউস সানি ১৪৪২

স্টকহোমে বাংলাদেশ দূতাবাসে ‘বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস’ পালিত

সাব্বির খান, সুইডেন থেকে   

১১ জানুয়ারি, ২০২১ ১৬:৫০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



স্টকহোমে বাংলাদেশ দূতাবাসে ‘বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস’ পালিত

রবিবার যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে ওয়েবিনারে এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের আয়োজন করে স্টকহোমস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস। সুইডেন সরকারের আরোপিত বিধিনিষেধ মেনে এবং করোনাকালীন সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় অনলাইনে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ ছাড়াও সুইডেন, নরওয়ে ও ফিনল্যান্ড থেকে বাংলাদেশি কমিউনিটির বিভিন্ন সদস্যবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন। দূতাবাসের প্রথম সচিব আমরিন জাহানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সুইডেস্থ বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. নাজমুল ইসলাম। 

অনুষ্ঠান শুরু হয় পবিত্র ধর্মগ্রন্থ থেকে পাঠ- এবং জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে। এরপর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান মান্যবর রাষ্ট্রদূত এবং দূতাবাসের অন্যান্য কর্মকর্তাগণ।

জাতির পিতার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উদযাপনে প্রদত্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বানী পাঠ করা হয়। তারপর প্রদর্শন করা হয় বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের ওপরে নির্মিত একটি বিশেষ প্রামান্যচিত্র। অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে দিবসটির উপর উন্মুক্ত আলোচনায় অংশ নেন স্ক্যান্ডিনেভিয়ায় বসবাসরত বাংলাদেশিরা।

দিবসটির গুরুত্ব ও তাৎপর্যের উপর আলোচনায় বক্তারা বলেন, বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন ছিল বাঙালি জাতির স্বাধীনতা সংগ্রামের আরেকটি আলোকিত অধ্যায় যা বাংলাদেশের ইতিহাসে চির অম্লান হয়ে থাকবে।

তারা আরো বলেন, ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর আমরা মূল বিজয় অর্জন করলেও পাকিস্তান কারাগার থেকে মুক্তিলাভ করে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের মাধ্যমেই অর্জিত হয়েছিল স্বাধীন বাংলাদেশের চূড়ান্ত বিজয়। বক্তারা অভিন্ন কণ্ঠে জাতির পিতার ত্যাগ ও দেশপ্রেমের মহান আদর্শকে বুকে ধারণ করে নতুন প্রজন্মকে ভবিষ্যতের জন্য কাজ করে যাওয়ার আহবান জানান।

সভাপতির বক্তব্যে রাষ্ট্রদূত মো. নাজমুল ইসলাম জাতির জনকের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করে বলেন, একাত্তরের ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুর দ্বদেশ প্রত্যাবর্তন ছিল সদ্যস্বাধীন বাঙালি জাতির কাছে একটি বড় প্রেরণা। তাঁর অসামান্য নেতৃত্বে অতিঅল্প সময়ের মধ্যেই একটি গর্বিত জাতি হিসেবে স্বতন্ত্র পরিচয়ে পৃথিবীর বুকে মাথা উঁচু করে দাড়ানোর যে সম্মান সেদিন বাঙালিরা পেয়েছিল, তারজন্য জাতি তাঁর প্রতি চিরকৃতজ্ঞ ও ঋণী হয়ে থাকবে। মুজিব-শতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বছরব্যাপী বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে দূতাবাস বলে তিনি উল্লেখ করেন। অনুষ্ঠানগুলো সফল করার জন্য স্ক্যান্ডিনেভিয়ায় বসবাসরত বাংলাদেশিদের তিনি ধন্যবাদ জানান।

ওয়েবিনারে অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন অতিথিবৃন্দ ও দূতাবাসের কর্মকর্তাদের কবিতা আবৃত্তি এবং করোনাকালে পরস্পরের সুস্বাস্থ্য কামনার মাধ্যমে অনুষ্ঠানটি শেষ হয়। 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা