kalerkantho

রবিবার । ২৮ আষাঢ় ১৪২৭। ১২ জুলাই ২০২০। ২০ জিলকদ ১৪৪১

নিউ ইয়র্কসহ বিভিন্ন শহরে কারফিউ ভঙ্গ করেই বিক্ষোভ

বিশেষ প্রতিনিধি, নিউ ইয়র্ক   

৩ জুন, ২০২০ ১৮:১৯ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



নিউ ইয়র্কসহ বিভিন্ন শহরে কারফিউ ভঙ্গ করেই বিক্ষোভ

যুক্তরাষ্ট্রের মিনিয়াপোলিসে পুলিশ হেফাজতে কৃষ্ণাঙ্গ হত্যার প্রতিবাদে কারফিউ অমাণ্য করেই নিউ ইয়র্কসহ বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভ অব্যাহত রয়েছে। নিউ ইয়র্কে কারফিউ অমান্য করার ঘটনা ঘটলেও বিক্ষোভ ছিল শান্তিপূর্ণ।

মঙ্গলবার রাতে দ্বিতীয়দিনের মতো কারফিউ জারি ছিল নিউ ইয়র্কে। তবে এর আগের রাতে ১১টা থেকে দেয়া হলেও, এদিন স্থানীয় সময় রাত ৮টা থেকেই কারফিউ জারি করা হয়। কারফিউ ভেঙেই ম্যানহাটনে বিক্ষোভকারীদের জড়ো হতে দেখা যায়। তবে সমাবেশ ছিল শান্তিপূর্ণ।

নগরের বেশিরভাগ জায়গা থেকে বড় কোনো সহিংসতার খবর পাওয়া যায়নি। ব্রুকলিন ও ব্রঙ্কসের সহিংসতাপূর্ণ জায়গাগুলোতেও নিরবতা লক্ষ্য করা গেছে। এরপরও বিভিন্ন জায়গা থেকে কয়েক ডজন বিক্ষোভকারীকে কারফিউ ভাঙার অভিযোগে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছে রেডিও স্টেশন টেন টেন নিউজ। তবে ঠিক কি অভিযোগে এবং কতজনকে আটক করা হয়েছে তাৎক্ষণিকভাবে তা জানানো হয়নি।

নিউইয়র্ক মেয়র বিল ডি ব্লাজিও জানিয়েছেন, সহিংসতা নিয়ন্ত্রণে সপ্তাহজুড়ে এই কারফিউ জারি থাকবে। এদিকে বিক্ষোভ দমনে এনওয়াইপিডির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন গভর্নর এন্ড্রু কুওমো। এতে গভর্ণর ও মেয়র অনেকটা মুখোমুখি অবস্থান নিয়েছেন।

তবে মেয়র বলছেন পরিস্থিতি এখন অনেকটাই শান্ত। রাত সোয়া ১১টার পর এক টুইটে মেয়র ব্লাজিও লিখেছেন, তিনি বার্কলে সেন্টারে রয়েছেন। সেখানকার পরিস্থিতি বেশ শান্ত। কারফিউ কাজ করছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। যদিও একদিন আগেই অনেকটা ক্ষোভের সাথেই বলেছিলেন সংঘবদ্ধ ও পরিকল্পিত অপরাধের ঘটনা ঘটছে। এই অবস্থা চলতে দেয়া হবে না বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন তিনি।

নিউ ইয়র্ক শহরে রাত ৮টায় কারফিউ শুরু হলেও কয়েক হাজার বিক্ষোভকারীর প্রতিবাদ মিছিল চলতে থাকে। মাথার ওপর পুলিশের হেলিকপ্টার চক্কর দিলেও তারা থামেনি। বরং মিছিলটি ম্যানহাটন ব্রিজ নিয়ে ব্রুকলিন থেকে ম্যানহানটরে ঢোকার চেষ্টা করে। কিন্তু পুলিশি ব্যারিকেড তাতে বাধা দেয়। তবে সিএনএন জানিয়েছে, কোন ধরণের গ্রেফতার ছাড়াই তাদেরকে উল্টো পথে চলে যাওয়ার সুযোগ দেয় পুলিশ। এতে সংঘর্ষের কোনো ঘটনাও তখন ঘটেনি।

২৫ মে মিনেসোটার মিনিয়াপোলিসে পুলিশের নির্যাতনে ফ্লয়েডের মৃত্যু হয়। ঘটনার কয়েকটি ভিডিও সামনে আসার পর শুরু হওয়া প্রতিবাদ পুরো যুক্তরাষ্ট্র জুড়ে ছড়িয়ে পড়ে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা