kalerkantho

শুক্রবার । ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ । ৫ জুন ২০২০। ১২ শাওয়াল ১৪৪১

করোনা নিরোধে আমিরাত সরকারের ব্যবস্থায় সন্তুষ্ট প্রবাসীরা

এম আবদুল মন্নান, আমিরাত প্রতিনিধি   

৪ এপ্রিল, ২০২০ ০৭:৫৯ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



করোনা নিরোধে আমিরাত সরকারের ব্যবস্থায় সন্তুষ্ট প্রবাসীরা

বিশ্বব্যাপী করোনার যে তাণ্ডব চলছে, তা সংযুক্ত আরব আমিরাতেও আঘাত হেনেছে। তবে আমিরাত সরকারের যথাযথ কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণের ফলে এর ছোবল অনেকটা নিয়ন্ত্রণে রাখা গেছে। যদিওবা আক্রান্তের সংখ্যা (২ এপ্রিল) এক হাজারের ওপর।

সংযুক্ত আরব আমিরাতে ২ এপ্রিল পর্যন্ত ২১০ জন নতুন আক্রান্তসহ করোনা ভাইরাসে  মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১০২৪ জন। তাদের মাঝে বেশ কয়েকজন বাংলাদেশীও আছেন। মোট ৯৪জন সুস্হ হয়েছেন এবং ৮ জন মারা গেছেন। 

তবে সরকারের কার্যকরী ও দ্রুত সময়ে উপযুক্ত ব্যবস্থার দরুন করোনার ছোবল অনেকটা সীমিত রয়েছে বলে মনে করেন আমিরাতের বিভিন্ন পেশার প্রবাসীরা। আমিরাতের বঙ্গবন্ধু পরিষদ আবুধাবী কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারন সম্পাদক মোহাম্মদ নাসির তালুকদার,  আমিরাতের  প্রজন্ম বঙ্গবন্ধু কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি এসএম রফিকুল ইসলাম, আমিরাত গাউছিয়া কমিটির কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব জানে আলম,  আনজুমানে খোদ্দামুল মুসলেমীন আমিরাতের সাবেক চেয়ারম্যান হাফেজ আবদুল আজিজ, আমিরাত কেন্দ্রীয় বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক আবদুর কুদ্দুস খালেদ, বঙ্গবন্ধু পরিষদ মোচ্ছাফ্ফার শাখার সাধারন সম্পাদক আজিম উদ্দিন সিকদার, আমিরাত  জাতীয়তাবাদী ফোরাম নেতা মুসা আল মাহমুদসহ বিভিন্ন পেশার প্রবাসীরা জানান, আমিরাত সরকারের করোনা দমনে রাত ৮টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত ঘরে থাকা বাধ্যতামূলক।

আইনসহ আমিরাতে অন্যান্য আইনগুলো  আমরা সবাই যেমন  মেনে চলি তেমনিভাবে আমিরাত সরকারের অন্যান্য আইনগুলো সবাই মেনে চলে অযথা জমায়েত ও জটলা থেকে বিরত থেকে মহান আল্লাহর কাছে করোনা মুক্তির জন্য দোয়া করি।

মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন (ট্রেইনার), টিপু দাস (ব্যবসায়ী), মোহাম্মদ হালিম (চাকুরিজীবী)-সহ আরো অনেক প্রবাসী জানান, আমিরাতে রাত ৮টা থেকে ৬টা চলছে করোনা নিরোধকরন স্প্রে। এ সময়ে আমরা সবাই ঘরে থাকলেও সকাল ৬টা থেকে রাত ৮টা অবধি আমরাসহ সকল প্রবাসীরা তাদের নিজেদের কাজ কর্ম সেরে নিতে পারি কোথাও জটলা বা জমায়েত না করে। সবাই এ নিয়মে অভ্যস্থ হয়ে গেছে।

আমিরাতে পার্ক, মসজিদ, স্কুল কলেজ, বড় বড় মল, বীচ, সিনেমা ইত্যাদি বন্ধ থাকলেও নিত্য প্রযোজনীয় ফার্মেসী, সুপার মার্কেট, গ্রোসারী, খাবার ডেলিভারীর হোটেল, সবজির দোকানগুলো খোলা আছে। 

আমিরাতে অবস্থানরত সবাই মাস্ক, হ্যান্ড গ্লোভস পরা বাধ্যতামূলক। দেশীয় প্রবাসীসহ সবাই সরকারের নিদের্শনা মেনে চলছেন।

অভিঞ্জ মহল মনে করেন সকল প্রবাসীরা যেভোবে এখানে আইন কা্নুন মেনে চলছেন দেশে অবস্থানরত তাদের পরিবার সেভাবে মেনে চললে করোনা মহামারী ঠেকানো যাবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা