kalerkantho

শনিবার । ২৪ আগস্ট ২০১৯। ৯ ভাদ্র ১৪২৬। ২২ জিলহজ ১৪৪০

নিউ ইয়র্ক কনস্যুলেটে স্বাধীনতা দিবস উদ্‌যাপন

বিশেষ প্রতিনিধি, নিউ ইয়র্ক   

২৮ মার্চ, ২০১৯ ১০:৪৪ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



নিউ ইয়র্ক কনস্যুলেটে স্বাধীনতা দিবস উদ্‌যাপন

নিউ ইয়র্কের বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলে বিপুল উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্যে দিয়ে পালিত হয়েছে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস। এ উপলক্ষে মঙ্গলবার কনস্যুলেট কার্যালয় রীতিমতো দেশি-বিদেশি অতিথিদের মিলনমেলায় পরিণত হয়। মূলধারার অসংখ্য কর্মকর্তা ও নির্বাচিত প্রতিনিধির সঙ্গে প্রবাসী বাংলাদেশিরাও এতে যোগ দেন।

স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস এর ৪৮তম বার্ষিকী উপলক্ষে সকালে দিনের কার্যক্রম শুরু হয় জাতীয় পতাকা উত্তোলনের এর মাধ্যমে। এরপর মহান স্বাধীনতাযুদ্ধে শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। পড়ে শোনানো হয় রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাণী। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ ১৯৭১ সালে মহান স্বাধীনতা সংগ্রামে শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের রুহের মাগফেরাত ও দেশের অব্যাহত শান্তি-সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।  

অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে সন্ধ্যা ৬টায় কনস্যুলেট মিলনায়তনে একটি অভ্যর্থনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় সংগীত বাজানো হয়। কনসাল জেনারেল সাদিয়া ফয়জুননেসা তাঁর স্বাগত বক্তৃতায় মহান মুক্তিযুদ্ধে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং বীরাঙ্গনাদের অবদান গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন। তিনি নিউ ইয়র্কে বসবাসরত বাংলাদেশি-আমেরিকানদের অর্থনৈতিক, বুদ্ধিবৃত্তিক ও প্রযুক্তিভিত্তিক সহায়তা ও বিনিয়োগকে বাংলাদেশের উন্নয়নে কাজে লাগানোর জন্য উৎসাহিত করেন। তিনি বলেন, স্বাধীনতার চেতনাকে ধারণ করে একযোগে কাজ করলে বঙ্গবন্ধুর 'সোনার বাংলা' প্রতিষ্ঠা সম্ভব হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অসাধারণ নেতৃত্ব কিভাবে বাংলাদেশকে আজ উন্নয়নের রোল মডেলে পরিণত করেছে, কনসাল জেনারেল তাঁর বক্তব্যে সেটি তুলে ধরেন।

নিউজার্সি অঙ্গরাজ্যের আটলান্টিক সিটির মেয়র জনাব ফ্রান্ক জিলিয়াম, নিউ ইয়র্ক সিটি কাউন্সিলের ডেপুটি লিডার এবং সিটি কাউন্সিল মেম্বার জনাব জিমি ভ্যান ব্রেমার, নিউ ইয়র্ক সিটি কাউন্সিল মেম্বার জনাব কস্তা কনস্টানটিনিডেস, কুইন্স বোরোর ডেপুটি প্রেসিডেন্ট শ্যারন লী, নিউ ইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের গভর্নর এর প্রতিনিধি হার্স পরেখসহ আমন্ত্রিত অতিথিদের মধ্য থেকে কয়েকজন শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন। নিউ ইয়র্ক স্টেট গভর্নর এন্ড্রু এম কুওমো, নিউ ইয়র্ক সিটি মেয়র বিল দ্য ব্লাজিও, নিউ ইয়র্ক স্টেট সিনেটর জন ল্যুই, সিনেটর জেসিকা রামোস এবং কুইন্স বোরো প্রেসিডেন্ট মেলিন্ডা কাট্জ বিশেষ প্রতিনিধি পাঠিয়ে অভিনন্দন জানান। 

এ ছাড়াও কুইন্স বোরো প্রেসিডেন্ট মেলিন্ডা কাট্জ বাংলাদেশ কনস্যুলেট প্রদত্ত কমিউনিটির সেবার মান বৃদ্ধি পাওয়াও এবং বাংলাদেশি-আমেরিকান কমিউনিটির সাথে নিবিড় যোগাযোগ স্থাপনে অগ্রণী ভূমিকা পালনের স্বীকৃতি হিসেবে কনসাল জেনারেল সাদিয়া ফয়জুননেসাকে 'ডেক্লারেশন অব অনার' প্রদান করেন।

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা