kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১২ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১৪ রবিউস সানি     

বাংলাদেশের সঙ্গে মিলিয়ে নিউইয়র্কেও জাতীয় সঙ্গীত গাইলো প্রবাসীরা

বিশেষ প্রতিনিধি, নিউইয়র্ক   

২৬ মার্চ, ২০১৯ ১৯:৩৩ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বাংলাদেশের সঙ্গে মিলিয়ে নিউইয়র্কেও জাতীয় সঙ্গীত গাইলো প্রবাসীরা

নিউইয়র্ক সময় তখন রাত ১০টা। লাল সবুজে ছেয়ে গেছে বাংলাদেশের কনস্যুলেট অফিস। নানা শ্রেণি পেশার প্রবাসীরা জড়ো হন সেখানে। হাতে দেশের পতাকা এবং মুখে জাতীয় সঙ্গীত। আবেগময় রাতে সবাই যেন হারিয়ে গিয়েছিলেন প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশে। আর এই ছিল সোমবার রাতে নিউইয়র্ক কনস্যুলেটের অসাধারণ এক ছবি। বাংলাদেশে মঙ্গলবার সকাল ৮টায় স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসকে সামনে রেখে বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে আয়োজিত শিশু কিশোর সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপস্থিতিতে যখন সমস্বরে জাতীয় সঙ্গীত গাইছিলেন সবাই; তখন হাজার মাইল দূরের নিউইয়র্কও হয়ে উঠেছিল এক টুকরো বাংলাদেশ। 

নিউইয়র্কে বাংলাদেশ কনস্যুলেট এই ব্যতিক্রমধর্মী আয়োজনটি করে। সেই আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে এসেছিলেন মুক্তিযোদ্ধা, রাজনৈতিক নেতা, শিল্পী, সুশিল সমাজের প্রতিনিধিরা। বিশেষ করে পরের দিন স্কুল থাকলেও, এসেছিল আগামী প্রজন্মের প্রতিনিধি শিশু কিশোররাও। উপস্থিত ছিলেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন এবং কনসাল জেনারেল সাদিয়া ফয়জুন্নেসা।

বাংলাদেশে শিশু কিশোরদের সঙ্গে যখন প্রধানমন্ত্রী জাতীয় সঙ্গীত গাইছেন, তখন টেলিভিশনের পর্দায় দেখে তাতে কণ্ঠ মেলান কনস্যুলেট অফিসে উপস্থিত সবাই।পরে মাসুদ বিন মোমেন এই আয়োজনের ভূয়সি প্রশংসা করে বলেন, 'এর মধ্য দিয়ে প্রবাসে বেড়ে ওঠা আগামী প্রজন্ম সরাসরি দেশের সঙ্গে সম্পৃক্ত হতে পারছে'। দেশের সঠিক ইতিহাস জেনে, দেশকে ভালোবাসার কথা বলেন তিনি। 

এমন আয়োজনের জন্যে সেখানে উপস্থিত সুধীজন কনসাল জেনারেল সাদিয়া ফয়জুন্নেসার প্রশংসা করেন। কনসাল জেনারেল সাদিয়া ফয়জুন্নেসা বলেন, তার প্রচেষ্টা একদিকে যুক্তরাষ্ট্রের মূলধারার সঙ্গে সঠিক যোগাযোগ স্থাপন করা, বাংলাদেশের গৌরবোজ্জ্বল অর্জনকে সেখানে নিয়ে যাওয়া। অন্যদিকে এদেশে বেড়ে ওঠা আগামী প্রজন্মের সঙ্গে দেশের সংযোগটি সুদৃঢ় করা। তার জন্যে আরও অনেক কাজ করে যাবেন তিনি। 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা