kalerkantho

শনিবার । ২৪ আগস্ট ২০১৯। ৯ ভাদ্র ১৪২৬। ২২ জিলহজ ১৪৪০

নিউ ইয়র্কে বাংলাদেশের স্বাধীনতা প্যারেড

বিশেষ প্রতিনিধি, নিউ ইয়র্ক   

২৬ মার্চ, ২০১৯ ১০:২৩ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



নিউ ইয়র্কে বাংলাদেশের স্বাধীনতা প্যারেড

'নিউ ইয়র্কের রাজপথে আপনারা বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবসের প্যারেড করে দেশমাতৃকার প্রতি যে গভীর ভালোবাসা দেখালেন, তা চোখে না দেখলে বিশ্বাস করতাম না'। মুক্তধারা ফাউন্ডেশন ও বাঙালির চেতনা মঞ্চের উদ্যোগে জ্যাকসন হাইটসে আয়োজিত বর্ণাঢ্য প্যারেড উদ্বোধন করে এ কথা বলেন বন ও পরিবেশ মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দীন। ডাইভারসিটি প্লাজা থেকে শুরু করে বিভিন্ন রাস্তা ঘুরে প্যারেড শেষ হয় পাবলিক স্কুল ৬৯-এ। এসময় বাংলাদেশের পতাকা হাতে সেখানে অংশ নেন অসংখ্য প্রবাসী। এতে আরো অংশ নেন ৪৮ জন মুক্তিযোদ্ধা। পরে সেখানে একটি আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।  

রবিবার সন্ধ্যায় আয়োজিত আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন নিউ ইয়র্কের কনসাল জেনারেল সাদিয়া ফয়জুন্নেসা। তিনি বলেন, প্রবাসে এ ধরনের আয়োজন আগামী প্রজন্মের ভেতরে স্বাধীনতার মূল্যবোধকে বাঁচিয়ে রাখবে। এজন্যে তিনি আয়োজকদের ধন্যবাদ জানান।  

সভাপতির বক্তব্যে মুক্তধারা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ড. জিয়াউদ্দীন আহমেদ বলেন, প্রবাসের বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্ম যেভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও বাংলা সংস্কৃতি অন্তরে লালন করছে, তা আমাদেরকে আশাবাদী করে তুলছে।   

প্যারেডের আহ্বায়ক শহীদ মুক্তিযোদ্ধা সন্তান ফাহিম রেজা নূর বলেন, গত ৪ বছর ধরে আমরা স্বাধীনতা প্যারেড আয়োজন করে আসছি। ২০২১ সালকে লক্ষ্য করে স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীর প্যারেডের মধ্য দিয়ে মাইলফলক তৈরির কথা বলেন তিনি।  

মুক্তধারা ফাউইন্ডেশনের সিইও বিশ্বজিত সাহার পরিকল্পনায় অনুষ্ঠানটি সমন্বয় করেন ফাউন্ডেশনের কার্যকরী কমিটির সদস্য সাবিনা হাই উর্বি। পরিচালনায় ছিলেন আব্দুর রহিম বাদশা, শুভ রায়, শেখ সোহেব সাজ্জাদ, ছাখাওয়াৎ আলী।

এদিকে পঁচিশে মার্চ বাঙালি গণহত্যা দিবস স্মরণে জেনোসাইড '৭১ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ফাউন্ডেশনের সভাপতি ড. প্রদীপ রঞ্জন করের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন, নিউইয়র্কের কনসাল জেনারেল সাদিয়া ফয়জুন্নেসা। এসময় অনেক মুক্তিযোদ্ধা উপস্থিত ছিলেন। কর্মসূচির মধ্যে ছিল ডাইভারসিটি প্লাজায় মোমবাতি প্রজ্জ্বলন, দেশাত্মবোধক গান ও কবিতা পাঠ। এ ছাড়া ছিল আলোচনা অনুষ্ঠান।    

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা