kalerkantho

সোমবার । ২১ অক্টোবর ২০১৯। ৫ কাতির্ক ১৪২৬। ২১ সফর ১৪৪১                       

৭১-এর গণহত্যার স্বীকৃতি আদায়ে প্রবাসীদের ভূমিকা রাখার আহ্বান

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২৫ মার্চ, ২০১৯ ২১:৫৯ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



৭১-এর গণহত্যার স্বীকৃতি আদায়ে প্রবাসীদের ভূমিকা রাখার আহ্বান

একাত্তরের ২৫ মার্চের গণহত্যার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আদায়ে প্রবাসী বাঙালিদের স্ব স্ব অবস্থান থেকে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানালেন রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন।

‘জেনোসাইড একাত্তর ফাউন্ডেশন ইউএসএ’ এর উদ্যোগে ১৯৭১ সালে বাংলাদেশে সংঘটিত বর্বরোচিত জেনোসাইডের স্মরণে আজ নিউইয়র্কস্থ জ্যাকসন হাইটস্-এ সমাবেশ, মোমবাতি প্রজ্জ্বলন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত অনুষ্ঠানমালায় উপস্থিত ছিলেন জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন ও নিউইয়র্কস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল এর কনসাল জেনারেল মিজ্ সাদিয়া ফয়জুন্নেছা।

রাষ্ট্রদূত মাসুদ সমাবেশ ও আলোচনা সভায় প্রদত্ত বক্তব্যে ১৯৭১ সালে বাংলাদেশে সংঘটিত জেনোসাইডের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আদায়ে সরকারের পাশাপাশি সকল প্রবাসী বাঙালিকে স্ব স্ব অবস্থান থেকে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান। এক্ষেত্রে তিনি আর্মেনিয়াসহ বিভিন্ন দেশে সংঘটিত জেনোসাইডের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আদায়ে এসকল দেশের সরকার এবং সে দেশগুলোর প্রবাসী নাগরিকদের ভূমিকার কথা উল্লেখ করেন।

তিনি আরও বলেন ‘বাংলাদেশ সরকারের পদক্ষেপের অংশ হিসেবে জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন বছরজুড়ে এ বিষয়ে কাজ করে যাচ্ছে। নিয়মিতভাবে জাতিসংঘ সদরদপ্তরের সংশ্লিষ্ট বিভাগসমূহের সাথে ঘনিষ্ট যোগাযোগ রক্ষার পাশাপাশি যে সকল দেশ ইতোমধ্যে তাদের দেশে সংঘটিত জেনোসাইডের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আদায় করতে পেরেছে স্থায়ী মিশন তাদের সাথে ঘনিষ্ট সম্পর্ক রক্ষা করে এ বিষয়ক তথ্য ও অভিজ্ঞতা সংগ্রহ করছে। এছাড়া জাতিসংঘ, সমমনা সদস্যরাষ্ট্রসমূহ, যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়, জেনোসাইড নিয়ে কাজ করছে এমন গবেষক, থিঙ্ক ট্যাঙ্ক ও প্রতিষ্ঠানসমূহকে সাথে নিয়ে স্থায়ী মিশন সেমিনার ও আলোচনা সভার আয়োজন করে যাচ্ছে’।

এবারের ২৫ মার্চ উপলক্ষে স্থায়ী মিশন এর বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে আন্তর্জাতিক আবহে এমনই আরেকটি সেমিনারের আয়োজন করছে মর্মে জানান রাষ্ট্রদূত মাসুদ।

‘একাত্তরের জেনোসাইডের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আদায়ের পথ যতই বন্ধুর হোক না কেন, সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমরা তা অর্জন করতে পারবো’ বলে প্রত্যাশার কথা জানান জাতিসংঘের স্থায়ী প্রতিনিধি।

কনসাল জেনারেল মিজ্ সাদিয়া ফয়জুন্নেছা যুক্তরাষ্ট্রের মূল ধারায় একাত্তুরের জেনোসাইডকে তুলে ধরতে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত বাঙালিদের আরও নিবিড়ভাবে কাজ করার পরামর্শ দেন।

তিনি বলেন ‘এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় সকল পদক্ষেপে আমরা আপনাদের সাথে আছি এবং একযোগে সবাইকে নিয়ে কাজ করে লক্ষ্যে পৌছুতে চাই’।

‘জেনোসাইড একাত্তর ফাউন্ডেশন ইউএসএ’ এর সভাপতি ড. প্রদীপ রঞ্জন কর আলোচনা সভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। 

অনুষ্ঠানটিতে বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার বিপুল সংখ্যক প্রবাসী বাঙালি উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা