kalerkantho

সোমবার। ১৯ আগস্ট ২০১৯। ৪ ভাদ্র ১৪২৬। ১৭ জিলহজ ১৪৪০

'ইন্টারন্যাশনাল ওমেন আইকন বাংলাদেশ' এ ভূষিত হলেন তিশা সেন

আমিরাত প্রতিনিধি    

২৩ মার্চ, ২০১৯ ২০:৫৫ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



'ইন্টারন্যাশনাল ওমেন আইকন বাংলাদেশ' এ ভূষিত হলেন তিশা সেন

আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে বিভিন্ন দেশের আলোকিত তরুণীদের সম্মাননা দিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের ভারতীয় সাংস্কৃতিক সংগঠন জানকজ। এবারের নারী দিবসের প্রতিপাদ্য বিষয় 'ব্যালেন্স ফর ব্যাটার'কে সামনে নিয়ে 'ইন্টারন্যাশনাল ওমেন আইকন বাংলাদেশ' সম্মাননা পেয়েছেন বাংলাদেশি সংস্কৃতিকর্মী ও সাংবাদিক তিশা সেন।

গতকাল শুক্রবার আমিরাতের শারজাহ'র একটি বেসরকারি রূপচর্চা কেন্দ্রে আনুষ্ঠানিকভাবে তাকে এ সম্মাননা তুলে দেন। অনুঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন দক্ষিণ ভারতীয় জনপ্রিয় অভিনেত্রী শারু ভারগেস।

এ সময় অন্যান্য অতিথি ছিলেন মিস ইন্টারন্যাশনাল-২০১৯ ইশা ফারসা কোরিশ, লেখিকা হানি ভাসকারান, ফ্যাশন কোরিওগ্রাফার অ্যাডভোকেট বীমা বেনজির। অনুষ্ঠানের আয়োজক ছিলেন জানকজ এর কো ফাউন্ডার সৌম্য অরুণ নাইর, যিশা ভেনুগোপাল।

পুরো অনুষ্ঠানটিই ছিলো নারীদেরকে ঘিরে। নারীরা অতিথি আয়োজকেরাও নারী। বাংলাদেশ, ভারত, ফিলিপিন, পাকিস্তান এই ৪ দেশের ৪ জন তরুণীকে স্ব স্ব ক্ষেত্রে নিজ দেশকে তুলে ধরার জন্য এ সম্মাননা প্রদান করা হয়।

তিশা সেন ছোটবেলা থেকে মা বাবার সাথে আরব আমিরাতে বেড়ে উঠেছেন। আজমানের ইন্ডিয়ান স্কুলে পড়াশোনা শেষ করে ২ বছর সে স্কুলেই শিক্ষকতা করেছেন। তিনি ৫২ বাংলা টিভির সংবাদপাঠিকা এবং স্টাফ করেসপন্ডেন্ট। এ ছাড়া সংহতি সাহিত্য পরিষদ আরব আমিরাত শাখার সাংস্কৃতিক সম্পাদিকা তিশা একজন ক্লাসিকাল নৃত্যশিল্পী এবং মৌলিক চিত্রশিল্পী হিসেবেও কাজের স্বাক্ষর রেখে চলেছেন। শিল্পকলার ষোলকলা জানা তিশার হাত আছে লেখালেখিতেও। নানামাত্রিক সম্ভাবনাময় তিশা তার এগিয়ে যাওয়াতে সকলের সহযোগিতা ও দোয়া চেয়েছেন।

চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলার মেয়ে তিশা সেনের বাবা অনুপ সেন ও মা রূপশ্রী সেন তার এ প্রাপ্তিতে গর্বিত। 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা