kalerkantho

বৃহস্পতিবার  । ১৭ অক্টোবর ২০১৯। ১ কাতির্ক ১৪২৬। ১৭ সফর ১৪৪১       

ব্রিটেনে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে প্রবাসীদের প্রভাতফেরী

জুয়েল রাজ, লন্ডন থেকে    

২১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ২০:৩৬ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ব্রিটেনে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে প্রবাসীদের প্রভাতফেরী

যথাযোগ্য মর্যাদায় অমর একুশে মহান শহীদ ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস  পালন করেছেন ব্রিটেনের প্রবাসী বাংলাদেশিরা। লন্ডনের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে টাওয়ার হ্যামলেট কাউন্সিলের আয়োজনে প্রতি বছরের মতো ছিল প্রবাসী বাংলাদেশিদের ঢল। রাত ১২টা ১ মিনিটে ব্রিটেনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত সাঈদা মুনা তাসনিম ও টাওয়ার হ্যামলেট কাউন্সিলের নির্বাহী মেয়র জন বিগস '৫২'র  ভাষা শহীদের শ্রদ্ধা জানান। তারপর শহীদ মিনার বেদীতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানাতে তাকে প্রবাসীরা। 

এরপর একে একে লন্ডনের শতাধিক রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন শহীদ বেদীতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। সংগঠন ছাড়া ও ব্যক্তিগত উদ্যোগে পরিবার, সন্তান-সন্ততি নিয়ে অনেকেই শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে সমবেত হয়েছিলেন।   

রাত সাড়ে ১১টার পর থেকেই বিভিন্ন সংগঠন মিছিল সহকারে শহীদ মিনারে সমবেত হতে থাকে। স্থানীয় কাউন্সিল কর্তৃপক্ষ প্রতিবছরই  শহীদ মিনারের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করে থাকে। নিরাপত্তাকর্মীদের সহায়তায়, 'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি/আমি কি ভুলিতে পারি' গানের সাথে কণ্ঠ মিলিয়ে বিভিন্ন সংগঠন সারিবদ্ধভাবে এগিয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শহীদ মিনারে। 

অন্যদিকে, ব্রিটেনে বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মকে বাংলা ভাষা ও ইতিহাসের সাথে সম্পৃক্ত করতে বিগত চার বছর ধরে একুশের প্রভাতফেরী উদযাপন পরিষদ ২১ তারিখ সকালে শিশু কিশোরদের নিয়ে প্রভাতফেরী আয়োজন করে আসছে। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। প্রভাত ফেরির র‍্যালিতে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত হয়েছিলেন টাওয়ার হ্যামলেট কাউন্সিলের স্পিকার আয়াছ মিয়া, বিশেষ অতিথি বাংলাদেশ হাই কমিশনের পলিটিক্যাল মিনিস্টার  ড.  শ্যামল কান্তি চৌধুরী প্রমুখ।  অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের নিয়ে  যোগ দিয়েছিলেন এ প্রভাতফেরীতে।  

এদিকে পূর্ব লন্ডনের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার ছাড়াও ব্রিটেনের ওল্ডহাম, বার্মিংহাম, লুটন,কার্ডিফ  ও নিউক্যাসেলে স্থায়ী শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানানোর পাশাপাশি,বিভিন্ন শহরে, অস্থায়ী শহীদ মিনার নির্মাণ করে  অমর একুশে ,  আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করেন। 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা