kalerkantho

রবিবার। ১৬ জুন ২০১৯। ২ আষাঢ় ১৪২৬। ১২ শাওয়াল ১৪৪০

কেরানীগঞ্জে প্রতিপক্ষের ছোড়া গরম তেলে দগ্ধ ৬, গ্রেপ্তার ৭

কেরানীগঞ্জ (ঢাকা) প্রতিনিধি   

২৫ মে, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



রাজধানীর অদূরে কেরানীগঞ্জে মনু বেপারীর ঢাল এলাকায় গত বৃহস্পতিবার রাতে প্রতিপক্ষের ছোড়া গরম তেলে কমপক্ষে ছয়জন দগ্ধ হয়েছেন। তাঁরা হলেন সালমা আক্তার (২০), আরমান হোসেন (১৪), তুহিন (২২), রকি (২০), মেহেদী হাসান (১৬) ও সুমন (২৫)। আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

এ ঘটনায় আহত সালমার বাবা সবুর উদ্দিন বাদী হয়ে কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় সাতজনকে আসামি করে মামলা করার পর গতকাল শুক্রবার পুলিশ সাত আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে। তাঁরা হলেন নুর হোসেন, তাঁর স্ত্রী সাজেদা বেগম, বড় মেয়ে ফেন্সি (৩৫), মেজো মেয়ে লিপি বেগম (৩০), ছেলে অলি (২৮), ছোট মেয়ে মিতু (১৮) ও লিপির জামাই মো. সোহেল। 

মামলার বাদী সবুর উদ্দিন জানান, তাঁর বাড়ি কেরানীগঞ্জ মডেল থানার জিনজিরা ইউনিয়নের বন্ধ মানদাইল এলাকায়। আহত সালমা তাঁর মেয়ে। সাত মাস আগে মেয়ে সালমার সঙ্গে পাশের গ্রাম মনু বেপারীর ঢাল এলাকার বিবাদী অলির সঙ্গে বিয়ে দেন। বিয়ের পর থেকেই মেয়ের সঙ্গে জামাতার ঝগড়া-বিবাদ লেগে থাকে। এ নিয়ে কয়েক দফা সালিসও হয়। একপর্যায়ে জানতে পারেন অলি নেশাগ্রস্ত। তার পরও মেয়ের মুখের দিকে তাকিয়ে সালমা ও অলিকে আলাদা ঘর ভাড়া করে দেন। গত তিন দিন ধরে অলি বাসায় না ফেরায় বৃহস্পতিবার রাতে সালমা শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে জিজ্ঞাসা করেন যে অলি সেখানে গিয়েছে কি না। এরপর শ্বশুরবাড়ির লোকজন সালমাকে মারধর করে তাড়িয়ে দেয়। পরে ঘটনা শুনে মেয়েকে নিয়ে ওই বাড়িতে যান বাবা সবুর উদ্দিন। সঙ্গে স্থানীয় কয়েকজন মাতব্বরও ছিলেন। ওই বাড়িতে গিয়ে ডাক দিলে তারা ভেতর থেকে গেট খুলে গরম তেল ছুড়ে মারে। এ ঘটনায় সালমাসহ স্থানীয় আরো পাঁচ যুবক দগ্ধ হন।

কেরানীগঞ্জ মডেল থানার এসআই শাহ আলম বলেন, ‘গরম তেল ছোড়ার ঘটনায় থানায় সবুর উদ্দিন প্রথমে একটি অভিযোগ করেন। আমরা অভিযোগটি তদন্ত করলে ঘটনার সত্যতা মেলে। এরপর আসামিদের নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে মামলা নেওয়া হয়।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা