kalerkantho

বুধবার। ১৯ জুন ২০১৯। ৫ আষাঢ় ১৪২৬। ১৫ শাওয়াল ১৪৪০

সৈয়দপুরে স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যার চেষ্টা

সৈয়দপুর (নীলফামারী) প্রতিনিধি   

২৫ মে, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



নীলফামারীর সৈয়দপুরে যৌতুকের টাকা না পেয়ে গৃহবধূকে গলা কেটে হত্যার চেষ্টা করেছে তাঁর স্বামী। অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে যাওয়া এক কন্যাসন্তানের মা ইসমত আরা বর্তমানে সৈয়দপুর ১০০ শয্যা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। ঘটনাটি ঘটে গত বুধবার রাতে উপজেলার কামারপুকুর বাজার এলাকায়।

অভিযোগে জানা গেছে, প্রায় আড়াই বছর আগে লালমনিরহাটের হাতিবান্ধা উপজেলার উত্তর ডাউয়াবাড়ী গ্রামের কাশেম আলীর ছেলে মেহেদী হাসান দুলুর সঙ্গে দিনমজুর মো. রফিকুল ইসলামের মেয়ে ইসমত আরার বিয়ে হয়। বিয়ের সময় তিন লাখ টাকা যৌতুক চাইলেও দিতে পারেননি ইসমতের বাবা। তাই বিয়ের পর ইসমত আরাকে আর বাবার বাড়ি আসতে দেয়নি স্বামী মেহেদী। যৌতুকের তিন লাখ টাকার জন্য তাঁর ওপর নানাভাবে শারীরিক নির্যাতন চালানো হয়। এরই মধ্যে তাঁদের এক সন্তানের জন্ম হয়।

তিন মাস আগে মেহেদি বাচ্চাসহ স্ত্রী ইসমত আরাকে শ্বশুরবাড়ি পাঠিয়ে দেয়। গত বুধবার মেহেদি শ্বশুরবাড়ির পাশে ভগ্নিপতি আব্দুল মিয়ার বাড়ি আসে। গভীর রাতে ইসমত আরার ঘরে ঢুকে গলায় ছুরি চালিয়ে হত্যার চেষ্টা চালায়। এ সময় পাশে থাকা ছোট বোন টের পেয়ে চিৎকার দিলে মেহেদি দৌড়ে পালিয়ে যায়। কিন্তু তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন ও ব্যাগ রেখে যায়। গুরুতর অবস্থায় ইসমত আরাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তাঁর গলায় আটটি সেলাই দিতে হয়েছে বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে।

ইসমত আরার বাবা রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমি একজন দিনমজুর। অন্যের বাড়িতে কাজ করে সংসার চালাই। ধারদেনা করে জামাতাকে ৫০ হাজার টাকা দিয়েছি। কিন্তু সে আরো টাকা চায়। আমি এত টাকা কোথায় পাব? এই অবস্থায় আমার মেয়েকে সে হত্যা করতে চাইল। আমি তার বিচার চাই।’

এ ব্যাপারে সৈয়দপুর থানার ওসি মো. শাহজাহান পাশা বলেন, ‘গৃহবধূ ইসমত আরাকে তাঁর বাবার বাড়িতে গলা কেটে হত্যার চেষ্টার লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা