kalerkantho

বুধবার । ২৬ জুন ২০১৯। ১২ আষাঢ় ১৪২৬। ২৩ শাওয়াল ১৪৪০

রাকসু নির্বাচন

ভোটকেন্দ্র নির্ধারণে গণস্বাক্ষর দাবি ছাত্রসংগঠনগুলোর

রেদওয়ানুল হক, রাবি প্রতিনিধি   

২৫ মে, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদ (রাকসু) নির্বাচনে ভোটকেন্দ্র আবাসিক হলে হবে নাকি একাডেমিক ভবনে হবে, তা নির্ধারণের জন্য গণস্বাক্ষর কর্মসূচির দাবি জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রসংগঠনগুলো। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরাই নির্ধারণ করবে তারা কোথায় ভোটকেন্দ্র চায়। সম্প্রতি রাকসু সংলাপ কমিটির পক্ষ থেকে আবাসিক হলেই ভোটকেন্দ্র হবে—এমন তথ্যের পরিপ্রেক্ষিতে ছাত্রসংগঠনের নেতাকর্মীরা নতুন করে এ দাবি তোলে।

তিন দশক ধরে বন্ধ আছে রাকসু নির্বাচন। ডাকসু নির্বাচনের তোড়জোড় শুরু হওয়ার পর থেকেই রাকসু নিয়েও সরব হয়ে ওঠে ছাত্রসংগঠনগুলো। লিফলেট বিতরণ, মানববন্ধন, প্রশাসনকে স্মারকলিপি দেওয়াসহ নানা কর্মসূচি পালন করে তারা। এতে টনক নড়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের। সংগঠনগুলোর দাবির পরিপ্রেক্ষিতে চার সদস্যের রাকসু সংলাপ কমিটি গঠন করে প্রশাসন। কমিটি একে একে সংগঠনগুলোর সঙ্গে সংলাপে বসে। সংলাপ কমিটির তথ্য মতে, চলতি বছর ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে সংগঠনগুলোর সঙ্গে সংলাপ শুরু হয়। শেষ হয় চলতি মাসের ৬ তারিখ। এতে ১২টি রাজনৈতিক ও ১১টি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন অংশ নেয়। দু-একটি ছাড়া বাকি সব সংগঠন একাডেমিক হলে ভোটকেন্দ্র রাখার দাবি জানায়। কমিটির মতে, ১৭টি হলের বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী একাডেমিক ভবনে এসে ভোট দিলে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হতে পারে। তাই হলেই ভোটকেন্দ্র রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

তবে সংগঠনগুলো কমিটির এ সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করে শিক্ষার্থীদের গণস্বাক্ষর নেওয়ার দাবি তোলে।

রাবি প্রগতিশীল ছাত্রজোটের সমন্বয়ক ফিদেল মনির জানান, এ বিশ্ববিদ্যালয় একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, তাই শিক্ষার্থীদের মতামতকে প্রাধান্য দিতে হবে। প্রশাসন দাবি করে তারা গণতন্ত্রে বিশ্বাসী। তারা ভোটকেন্দ্র স্থাপনের ব্যাপারে গণস্বাক্ষর কর্মসূচি করতে পারে। এর মাধ্যমে জানা যাবে শিক্ষার্থীরা কোথায় ভোটকেন্দ্র চায়।

আবাসিক হলে ভোটকেন্দ্র হলে নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না বলে দাবি করেছেন রাবি ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক কামরুল হাসান। তিনি বলেন, ফেয়ার ইলেকশন করতে হলে ভোটকেন্দ্র অবশ্যই আবাসিক হলের বাইরে রাখতে হবে। তবে এ জন্য সাধারণ শিক্ষার্থীদের মতামত জানতে গণস্বাক্ষর কর্মসূচি করা দরকার।

সংলাপ কমিটির আহ্বায়ক প্রক্টর অধ্যাপক লুৎফর রহমান বলেন, ‘নির্বাচনের ব্যাপারে প্রশাসন খুবই আন্তরিক। সংগঠনগুলোর এই দাবি আমরা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করব। ছুটির পর সাধারণ শিক্ষার্থীদের মতামত জানতে গণস্বাক্ষর কিংবা হলকেন্দ্রিক কর্মসূচি নেওয়া যায় কি না, তা নিয়ে ঊর্ধ্বতনদের সঙ্গে কথা বলব।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা