kalerkantho

বুধবার । ২৬ জুন ২০১৯। ১২ আষাঢ় ১৪২৬। ২৩ শাওয়াল ১৪৪০

হৃৎপিণ্ডের স্বার্থে পরিত্যাজ্য

২৫ মে, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



হৃৎপিণ্ডের স্বার্থে পরিত্যাজ্য

সচেতন থাকলেই হৃৎপিণ্ডকে সুস্থ-সবল রাখা যায়। হৃৎপিণ্ডকে সুস্থ-সবল রাখতে পছন্দের হলেও এড়িয়ে চলুন পাঁচ খাবার—

এনার্জি ড্রিংকস ও সোডা : সামান্য পানির পিপাসা পেলেই বা ক্লান্তি লাগলেই অনেকে এনার্জি ড্রিংকস খেয়ে থাকে। কিন্তু এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্যাফিন, যা হৃৎপিণ্ডের স্বাভাবিক স্পন্দনকে ব্যাহত করতে পারে। দেখা দিতে পারে অনিয়মিত হৃৎস্পন্দন। একইভাবে, সোডা রক্তের শর্করার মাত্রা বাড়াতে পারে। সোডা হৃদরোগেরও ঝুঁকি বাড়ায়। প্রতিদিনের খাবারে সোডার ব্যবহার হৃৎপিণ্ডের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।

চিপস : আট থেকে আশি সবারই পছন্দ চিপস। কিন্তু চিপস হৃৎপিণ্ডের জন্য বেশ ক্ষতিকারক। চিপসে প্রচুর পরিমাণে ট্রান্সফ্যাট ও সোডিয়াম থাকে। এ ছাড়া চিপসে থাকা অত্যধিক লবণও হৃৎপিণ্ডের পক্ষে ক্ষতিকারক। এক গবেষণায় জানা গেছে, যারা এক দিনে ২০০ মিলিগ্রামের বেশি সোডিয়াম খায়, তাদের হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর ঝুঁকি বাড়ে। 

নুডলস ও চায়নিজ খাবার : নুডলস ও চাইনিজ অনেক খাবারে চর্বি ও সোডিয়ামের পরিমাণ বেশি। এ খাবারের সঙ্গে যে সস আমরা খাই তাতেও প্রচুর পরিমাণে সোডিয়াম রয়েছে। এ দুটিই হৃৎপিণ্ডের ধমনি ব্লক করার কারণ হতে পারে। গবেষণা মতে, ইনস্ট্যান্ট নুডলসের একটি প্যাকেটে ৮৭৫ মিলিগ্রাম সোডিয়াম পাওয়া যায়। এ পরিমাণ সোডিয়াম সারা দিনের সোডিয়াম খাওয়ার সমতুল্য।

রেস্তোরাঁয় রাঁধা মুরগি : মুরগির মাংসে প্রচুর পরিমাণে আমিষ বা প্রোটিন রয়েছে। কিন্তু রেস্তোরাঁয় তেল দিয়ে রাঁধা মুরগির মাংসে প্রচুর পরিমাণে ট্রান্সফ্যাট থাকে। এটি স্বাস্থ্যের জন্য শুধু বিপজ্জনকই নয়, পেটে চর্বি জমার অন্যতম কারণও। এ ধরনের রান্না করা খাবার আমাদের শরীরে অক্সিডেন্টের পরিমাণ বাড়ায়, যা অ্যান্টি-অক্সিডেন্টগুলোকে কাজ করতে দেয় না।

কফি : অত্যধিক কফি পান ঘুম নষ্ট করার পাশাপাশি শরীরের জন্য ক্ষতিকর। কফিতে থাকা প্রচুর পরিমাণের ক্যাফিন রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়ায়। কফি ডায়াবেটিস ও হৃদরোগীদের জন্য বেশি ক্ষতিকারক।

এনডিটিভি অবলম্বনে শরীফ উল্লাহ

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা