kalerkantho

মঙ্গলবার। ১৮ জুন ২০১৯। ৪ আষাঢ় ১৪২৬। ১৪ শাওয়াল ১৪৪০

লেখক-পাঠক সংলাপ

ইতিহাসভিত্তিক সাহিত্যের গল্প শোনালেন মুহিত ও কামাল

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৫ মে, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ইতিহাসভিত্তিক সাহিত্যের গল্প শোনালেন মুহিত ও কামাল

বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে বাতিঘর মিলনায়তনে গতকাল ‘লেখক-পাঠক সংলাপ’ অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত ও কালের কণ্ঠ’র নির্বাহী সম্পাদক মোস্তফা কামাল। ছবি : কালের কণ্ঠ

বইয়ের ভুবনের এক কোণে ছোট মঞ্চ। মঞ্চে উপস্থিত সাবেক অর্থমন্ত্রী ও লেখক আবুল মাল আবদুল মুহিত এবং কথাসাহিত্যিক ও সাংবাদিক মোস্তফা কামাল। মঞ্চের সামনে লেখক, সংস্কৃতিকর্মী, পাঠকসহ নানা বয়সী মানুষ। দুই বিশিষ্টজন শোনান ইতিহাসভিত্তিক সাহিত্যচর্চার কথা।

ইতিহাসভিত্তিক সাহিত্যচর্চা ‘লেখক-পাঠক সংলাপ’ শিরোনামের এ আয়োজন হয়ে গেল গতকাল শুক্রবার রাজধানীর বাংলামোটরের বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র ভবনের মেগা বুকশপ বাতিঘর মিলনায়তনে। লেখক-পাঠক ঘিরে অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ঢাকা ইনিশিয়েটিভ।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, ‘আমার কাজ গবেষণাধর্মী। মননশীল প্রবন্ধ-নিবন্ধ লিখেছি। আমার লেখা প্রবন্ধ ৩৫টি। দীর্ঘ সময় ভীষণ ব্যস্ত জীবন পার করেছি। ব্যস্ততার মধ্যেও যে ৩৫টি প্রবন্ধ লিখেছি, তা কম নয়।’

বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক, কালের কণ্ঠ’র নির্বাহী সম্পাদক মোস্তফা কামাল বলেন, ‘নিয়মিত লিখি ১৯৯১ সাল থেকে। প্রতিদিনই আমি লেখি। লেখালেখি আমার কাছে প্রার্থনার মতো। আমি সব সময় চেয়েছি, দীর্ঘ ক্যানভাসে উপন্যাস লিখব। আমার অধিকাংশ বই ইতিহাসভিত্তিক এবং মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গল্প-উপন্যাস। তরুণ প্রজন্মের কাছে এটি কাঠখোট্টা বিষয় মনে হতে পারে। তবে আমি মনে করি, ইতিহাস যদি স্ট্রাকচার হয়, আর তাতে যদি রক্ত-মাংস, জীবন দেওয়া যায়, তাহলে এটি কথা বলে। একজন সাহিত্যিক ও ঔপন্যাসিক ইতিহাসকে প্রাণ দেন।’

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন—সাহিত্যিক ও অধ্যাপক হাফিজ উদ্দিন আহমেদ,  ঔপন্যাসিক ইসমাইল হোসেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও কলামিস্ট ড. মিল্টন বিশ্বাস, লেখক মামুন উর রশিদ, সাংবাদিক মুস্তফা মনোয়ার সুজন, বাতিঘরের দীপঙ্কার দাশ, প্রকাশক মিঠু কবীর প্রমুখ।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা