kalerkantho

রবিবার। ১৬ জুন ২০১৯। ২ আষাঢ় ১৪২৬। ১২ শাওয়াল ১৪৪০

রোহিঙ্গা নিপীড়নকে ‘জেনোসাইড’ বলল কানাডা

১০ কোটি ডলার সহায়তা ঘোষণা

কূটনৈতিক প্রতিবেদক   

২৩ মে, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের ওপর নিপীড়নকে ‘জেনোসাইড’ ও ‘এথনিক ক্লিনজিং’ (জাতিগত নির্মূল) হিসেবে অভিহিত করেছে কানাডা। আন্তর্জাতিক কোনো আদালতে ভয়াবহ এসব অপরাধের জবাবদিহি নিশ্চিত করতে বিশ্ব সম্প্রদায়ের সঙ্গে কাজ করার কথাও জানিয়েছে দেশটি।

গতকাল বুধবার বিকেলে ঢাকায় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহিরয়ার আলমের সঙ্গে বৈঠক শেষে কানাডার আন্তর্জাতিক উন্নয়ন বিষয়ক পার্মানেন্ট সেক্রেটারি কমল খেরা তাঁর সরকারের ওই অবস্থান তুলে ধরেন।

কানাডার আন্তর্জাতিক উন্নয়ন বিষয়ক মন্ত্রী মরিয়ম মোনসেফের পক্ষে তিনি বাংলাদেশে আশ্রিত রোহিঙ্গাদের জন্য কানাডা সরকারের ১০ কোটি মার্কিন ডলারের সহায়তা ঘোষণা করেন।

রোহিঙ্গা সংকটের রাজনৈতিক সমাধানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় কী করতে পারে জানতে চাইলে কমল খেরা সাংবাদিকদের বলেন, “ইতিমধ্যে অনেক অগ্রগতি হয়েছে। এটি (রোহিঙ্গাদের ওপর নিপীড়ন) যা তাই বলার ক্ষেত্রে কানাডা এগিয়ে আছে। কানাডা একে ‘এথনিক ক্লিনজিং’ ও ‘জেনোসাইড’ বলছে। প্রথম রাষ্ট্র হিসেবে কানাডা অং সান সু চির নাগরিকত্ব বাতিল করেছে এবং নিষেধাজ্ঞা আরোপের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।”

তিনি বলেন, ‘কানাডা শুধু এককভাবেই নয়, বিশ্ব সম্প্রদায়ের সঙ্গে মিলেও এ ব্যাপারে কাজ করছে। মিয়ানমারে সংঘটিত অপরাধের জবাবদিহি নিশ্চিত করা কানাডা সরকারের কাছে অগ্রাধিকার। ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিসে বা অন্য কোনো আন্তর্জাতিক আদালতে অপরাধগুলোর জবাবদিহি নিশ্চিত করতে আমরা কাজ করব। আমরা মিয়ানমারের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকা অব্যাহত রাখব।’

জেনোসাইডের অর্থ প্রসঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর জেনোসাইড স্টাডিজের পরিচালক অধ্যাপক ড. ইমতিয়াজ আহমেদ বলেছেন, আন্তর্জাতিক আইনে জেনোসাইড নিজেই একটি অর্থবোধক শব্দ হিসেবে প্রচলিত। বাংলায় শুধু ‘গণহত্যা’ বলে এর ব্যাপকতা বোঝানো যায় না। সব গণহত্যা জেনোসাইড নয়। একটি জাতি/নৃগোষ্ঠী/গোত্র/ধর্মীয় গোষ্ঠীকে সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে ধ্বংস করার লক্ষ্যে সংঘটিত কার্যক্রমগুলো জেনোসাইড।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা