kalerkantho

মঙ্গলবার । ২৫ জুন ২০১৯। ১১ আষাঢ় ১৪২৬। ২২ শাওয়াল ১৪৪০

ঈদে মহাসড়কে চাঁদাবাজি বন্ধের নির্দেশ আইজিপির

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২২ মে, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



ঈদে মহাসড়কে সব ধরনের চাঁদাবাজি বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জেলা ও হাইওয়ে পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছেন আইজিপি ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী। এ ছাড়া সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভ্রান্তিমূলক পোস্ট, মন্তব্য বা ছবি আপলোড করে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের অপচেষ্টা, জঙ্গি ও উগ্রপন্থীদের তৎপরতা রোধ, চাঁদাবাজি, চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, দস্যুতাসহ মাদক চোরাচালান ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারসহ অন্যান্য অপরাধ প্রতিরোধে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন আইজিপি।

গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে পুলিশ সদর দপ্তরের সম্মেলনকক্ষে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনাসংক্রান্ত সভায় এ নির্দেশ দেন আইজিপি।

সভায় হাইওয়ের চাঁদাবাজি প্রসঙ্গে আইজিপি বলেন, চাঁদাবাজি প্রতিরোধে হাইওয়ে ও স্থানীয় পুলিশ, বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের নেতা ও কমিউনিটি পুলিশের সমন্বয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তিনি মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলো সিসি ক্যামেরার আওতায় এনে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেন। আইজিপি মহাসড়কে নসিমন, করিমন, ভটভটি, ইজি বাইক ইত্যাদি যানবাহন চলাচল বন্ধ রাখার ব্যবস্থা গ্রহণের কথাও বলেন। তিনি মহাসড়কে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ছাড়া যানবাহন না থামানোর জন্যও সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেন।

মানুষের নিরাপদ যাতায়াত ও ঈদ আনন্দ নির্বিঘ্ন করার লক্ষ্যে স্বাভাবিক আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য সব পুলিশ কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেওয়ার পাশাপাশি ঈদে ঢাকাসহ দেশের বড় বড় শপিং মলে পোশাকধারী পুলিশের পাশাপাশি নারী পুলিশ ও সাদা পোশাকে পুলিশ মোতায়নের মাধ্যমে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছেন আইজিপি। মার্কেটগুলোয় সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন, হ্যান্ড মেটাল ডিটেক্টরের মাধ্যমে নিরাপত্তা তল্লাশি ও বড় বড় শপিং মলে আর্চওয়ে ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

দেশের প্রধান প্রধান ঈদ জামাতস্থলে সুইপিং ও আর্চওয়ে স্থাপনের মাধ্যমে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে জানিয়ে সভায় আইজিপি বলেন, গুরুত্বপূর্ণ ঈদ জামাতস্থলের ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ট্রাফিক পুলিশের পাশাপাশি প্রয়োজনে স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ করা হবে। বাস ও লঞ্চ টার্মিনাল এবং রেলস্টেশনে টিকিট কালোবাজারি প্রতিরোধ, অজ্ঞান ও মলম পার্টির অপতৎপরতা বন্ধ করা এবং চুরি ও ছিনতাই রোধে পোশাকধারী পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকে পুলিশ মোতায়েন করে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। এ ক্ষেত্রে মেট্রোপলিটন, জেলা, হাইওয়ে ও নৌ পুলিশ সমন্বিতভাবে নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

সভায় ব্যাংক ও অর্থ লগ্নিকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং বড় অঙ্কের আর্থিক লেনদেনের ক্ষেত্রে মানি এসকর্ট প্রদানের সিদ্ধান্ত হয়েছে। তিনি বলেন, ঈদের ছুটিতে বসতবাড়ি, ফ্ল্যাট ও অ্যাপার্টমেন্টে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে টহল বাড়াতে হবে। সব গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও কেপিআইগুলোর নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করার পাশাপাশি পর্যটন স্পটগুলো বিশেষ করে বিনোদনকেন্দ্র, পার্ক, সিনেমা হল ও অন্যান্য জনসমাগমস্থলে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। ট্যুরিস্ট পুলিশ দেশের গুরুত্বপূর্ণ ট্যুরিস্ট স্পটগুলোয় হেল্প ডেস্ক স্থাপন করবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা