kalerkantho

মঙ্গলবার । ২৫ জুন ২০১৯। ১১ আষাঢ় ১৪২৬। ২২ শাওয়াল ১৪৪০

ভেজালবিরোধী অভিযানে

পার পায়নি পুরান ঢাকার আল রাজ্জাক হোটেল

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২২ মে, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



রেস্টুরেন্টের বাইরের অবয়বে জৌলুসের কমতি নেই। ক্রেতাদের বসার স্থান যথেষ্ট চকচকে পরিচ্ছন্ন। তবে রান্নাঘরের চেহারা ভিন্ন। ফ্রিজে রাখা বাসি, পচা খাবার, রান্নাঘরে কটু গন্ধ, মেঝেতে আবর্জনা। ছাব্বিশ বছর ধরে ভোক্তাদের আস্থায় থাকা পুরান ঢাকার আল রাজ্জাক হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্ট গতকাল মঙ্গলবার পড়েছে জরিমানার কবলে। ভেজালবিরোধী অভিযানের ম্যাজিস্ট্রেট হোটেলটিতে ঢুকে দেখলেন নোংরা পরিবেশ। দেড় লাখ টাকা জরিমানার পাশাপাশি পরিবেশের উন্নতি ঘটাতে চূড়ান্ত সতর্ক করা হয়েছে মালিক ও ম্যানেজারকে।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ভেজালবিরোধী ভ্রাম্যমাণ আদালত গতকাল অভিযান চালান পুরান ঢাকার বংশাল এলাকায়। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল্লাহ আল মামুনের নেতৃত্বে দুপুরে টিম প্রবেশ করে বংশালের নর্থ সাউথ রোডের আল রাজ্জাক হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্টে। অভিযানের সংবাদ পেয়ে জমে যায় উত্সুক জনতার ভিড়। ১৯৯৩ সালে প্রতিষ্ঠিত আল রাজ্জাক রেস্টুরেন্ট স্থানীয়ভাবে ব্যাপক জনপ্রিয়। সেখানে সাহরি ও ইফতারের সময় বেজায় ভিড় লেগে থাকে। ঢাকার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লোকজন এখান থেকে খাবার নিতে আসে। পুরান ঢাকার সর্ববৃহৎ এ রেস্টুরেন্টে অভিযান শুরু হলে স্টাফরা নানা খাদ্যদ্রব্য সরিয়ে ফেলার চেষ্টা করে। কেউ কেউ তাৎক্ষণিক মনোনিবেশ করে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা ময়লা পরিষ্কারে।

বংশাল থানা পুলিশের সহায়তায় ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল্লাহ আল মামুন রান্নাঘরে ঢুকে ইফতারের জন্য প্রস্তুত করা খাবারের পাশাপাশি বিভিন্ন মালামাল পর্যবেক্ষণ করেন। সেখানে ফ্রিজে রাখা বিস্তর মালামাল। রান্নাঘরের মেঝেতে নোংরা-আবর্জনা। অপরিচ্ছন্ন জায়গাতেই রাখা হয়েছে নানা খাবার। তার বেশির ভাগই খোলা স্থানে রাখা। ফ্রিজ থেকে বের করা খাবারেও পাওয়া যায় গন্ধ। মেঝেতেই রাখা ভাজা মাছ-মাংস। সিঁড়ির পাশে রান্নার রসদ রাখা। একই ফ্রিজে রান্না খাবারের পাশাপাশি রাখা কাঁচা মাছ-মাংস। রান্নায় ব্যবহার হচ্ছিল মোল্লা সল্ট। যার মান নিয়ে প্রশ্ন থাকায় সম্প্রতি নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা