kalerkantho

সোমবার। ১৭ জুন ২০১৯। ৩ আষাঢ় ১৪২৬। ১৩ শাওয়াল ১৪৪০

পুলিশের অভিযানে অজ্ঞান পার্টির ৬৫ সদস্য গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৯ মে, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



অজ্ঞান পার্টির একই সদস্যকে বারবার গ্রেপ্তার করা হলেও ভুক্তভোগীরা মামলা করতে চায় না। এ কারণে তাদের কারাগারে আটকে রাখা যাচ্ছে না। বারবার গ্রেপ্তার হলেও কারাগার থেকে বেরিয়ে তারা ফের একই পেশায় নামছে।

গতকাল শনিবার দুপুরে ডিএমপির গণমাধ্যম শাখায় এক ব্রিফিংয়ের সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন ডিবির যুগ্ম কমিশনার মাহবুব আলম।

গত শুক্রবার রাজধানীর বিভিন্ন স্থান থেকে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ টিমের সদস্যরা অজ্ঞান পার্টির ৬৫ সদস্যকে গ্রেপ্তার করে। এদের গ্রেপ্তারের বিষয়ে জানাতে আয়োজন করা হয়েছিল সংবাদ সম্মেলনটি। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, রাজধানীর নিউ মার্কেট এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৩৮ জনকে গ্রেপ্তার করে সিরিয়াস ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন বিভাগ। গ্রেপ্তাররা হলো আবদুছ ছালাম মীর, ফালান, মনির হোসেন, সাকিব হোসেন, ইকবাল হোসেন, আফজাল হোসেন আরিফ, মনির হোসেন, সানী, জুয়েল, মিজানুর রহমান, শামিম, বাদল দেওয়ান, সেলিম, আসিফ উল রিন্টু, শাহ আলম, শাহিন, আব্দুর রহমান, রকিব, টিটু, আশ্রাফ, রাশেল, হোসেন, সেন্টু মণ্ডল, রিপন সিকদার, হৃদয় মিয়া, মুন্না, সেন্টু মাঝি, আশ্রাফুল, রেজাউল, জাহাঙ্গীর হোসেন, রবিন আহাম্মেদ রাজ, বাবু, মাসুদ আলম, সাইফুল ইসলাম, সুমন, রাজু, ফজলে রাব্বী ও সবুজ।

রাজধানীর ফকিরাপুর ও কুড়িল বিশ্বরোড বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১১ জনকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা উত্তর বিভাগ। তারা হলো শফিকুল ইসলাম, আলম, ইসমাইল হোসেন চৌধুরী, দেলোয়ার হোসেন, নূরে আলম, শহিদ আলী, রুবেল হাওলাদার, বাবু আকন্দ, আব্দুল মোতালেব, রুবেল মিয়া ও রহমত আলী।

ওয়ারী থানাধীন জয়কালী মন্দির এলাকায় অভিযান চালিয়ে চারজনকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা পূর্ব বিভাগ। তারা হলো জাহেদ, রিয়াজ, জসিম উদ্দিন ও রুবেল। গুলিস্তান এলাকায় অভিযান চালিয়ে সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা দক্ষিণ বিভাগ। তারা হলো কাওসার মাহমুদ কিরন, আজাদ, জলিল ফকির, মাইনুদ্দিন চিশতি, রিপন হোসেন, রতন ও অনিক হাসান ওরফে শান্ত। উত্তরা এলাকায় অভিযান চালিয়ে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পশ্চিম বিভাগ। তারা হলো জাকির হোসেন ওরফে ফয়সাল, মাছুদ রানা, মানিক, নুরজাহান ও শ্রাবণী।

গ্রেপ্তারের সময় অজ্ঞান পার্টির সদস্যদের কাছ থেকে চেতনানাশক ট্যাবলেট, ওষুধ মেশানো জুস, খেজুর, সাতটি চোরাই মোবাইল ফোনসেট ও একটি প্রাইভেট কার উদ্ধার করা হয়।

প্রথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃতরা জানায়, ঈদুল ফিতর সামনে রেখে তারা ঢাকা শহরের বিভিন্ন মার্কেট, শপিং মল, বাসস্ট্যান্ড, সদরঘাট ও রেলস্টেশন এলাকায় টার্গেট ব্যক্তির সঙ্গে সখ্য তৈরি করে। অজ্ঞান পার্টির সদস্যরা চা, কফি, জুস, ডাবের পানি, পান, ক্রিমজাতীয় বিসু্কট ইত্যাদির মধ্যে ঘুমের ওষুধ ব্যবহার করে।

এ ছাড়া তারা সাধারণ মানুষকে অজ্ঞান করে তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন থেকে নিকট আত্মীয়-স্বজনের কাছে ফোন করে মুক্তিপণ আদায় করে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা