kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২০ জুন ২০১৯। ৬ আষাঢ় ১৪২৬। ১৬ শাওয়াল ১৪৪০

নিষিদ্ধ ৫২ পণ্য

বেশির ভাগই বাজার থেকে তুলে নেওয়া হয়েছে : অধিদপ্তর

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৯ মে, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশনের পরীক্ষায় নিম্নমানের বলে প্রমাণিত হওয়ায় ৫২টি ভোগ্যপণ্য বাজার থেকে প্রত্যাহার করতে উচ্চ আদালতের আদেশে বেশির ভাগই তুলে নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। গতকাল শনিবার দিনব্যাপী অভিযানে দু-একটি দোকানে একটি-দুটি পণ্য পাওয়া গেলেও অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা বলছেন, বাজারজাতকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে বারবার সতর্ক করার কারণেই দ্রুত পণ্যগুলো বাজার থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তবে যেখানে এখনো এসব পণ্য পাওয়া যাচ্ছে তাদের শাস্তির আওতায় আনা হচ্ছে।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর সংবাদপত্রে নোটিশ দিয়ে নিষিদ্ধ এসব ভোগ্যপণ্য ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তুলে নিতে বলেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গতকাল অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা কারওয়ান বাজার, নিউমার্কেট, গ্রিন রোড, মোহাম্মদপুর, আদাবর, টাউন হল, কৃষি মার্কেটসহ বিভিন্ন বাজারে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ অভিযানে কারওয়ান বাজারের একটি দোকানে নিষিদ্ধ বাঘাবাড়ীর স্পেশাল ঘি পাওয়া যায়। নাসির স্টোর নামের এই দোকানকে নিষিদ্ধ পণ্য বিক্রির দায়ে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। নিউমার্কেটের জব্বার ও বিসমিল্লাহ স্টোর নামের দুটি দোকানকে দুই হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে নিষিদ্ধ নুডলস বিক্রির কারণে।

এর পাশাপাশি নিউমার্কেট ও কারওয়ান বাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে বিভিন্ন অপরাধে ১৪টি প্রতিষ্ঠানকে ৬১ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। একই দিনে মোহাম্মদপুরের আগোরার একটি শাখাকে ৩০ হাজার টাকা, প্রিন্স বাজারকে ৩০ হাজার টাকা ও প্রিন্স বাজার চিকেন রেস্টুরেন্টকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

অধিদপ্তরের উপপরিচালক মনজুর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘আমরা দুদিন ধরেই বিভিন্ন এলাকার সুপারশপসহ অন্য দোকানগুলোতে অভিযান পরিচালনা করেছি। কিন্তু দু-একটি দোকান ছাড়া বেশির ভাগ জায়গা থেকেই পণ্যগুলো তুলে নেওয়া হয়েছে। তার পরও যেখানে যেখানে পাওয়া যাচ্ছে তাদের শাস্তির আওতায় আনা হয়েছে।’

ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, আজ রবিবার অধিদপ্তরে ৫২ পণ্যের বাজারজাতকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে সভা ডাকা হয়েছে। এতে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, প্রতিষ্ঠানগুলোর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন বাজারের মালিক সমিতির নেতারা উপস্থিত থাকবেন। বাজার থেকে সব পণ্য তুলে নেওয়া হয়েছে কি না বা এতে কোনো সমস্যা রয়েছে কি না—তা নিয়ে আলোচনা করবেন তাঁরা।

 

মন্তব্য