kalerkantho

মঙ্গলবার । ২৫ জুন ২০১৯। ১১ আষাঢ় ১৪২৬। ২২ শাওয়াল ১৪৪০

চট্টগ্রামে তথ্যমন্ত্রী

নিবন্ধনের আওতায় আসছে অনলাইন গণমাধ্যম

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম   

১৯ মে, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, অনলাইন গণমাধ্যম নিবন্ধনের আওতায় আসছে। বর্তমানে কেউ একজন নিজেই অনলাইন খুলে বসছে। এরপর কয়েকজনকে কার্ড দেয়। তারা কার্ডটি ব্যবহার করে অপকর্মে যুক্ত হয়। এসব শৃঙ্খলায় আনা দরকার।

গতকাল শনিবার দুপুরে চট্টগ্রামে আয়োজিত ‘সাংবাদিকতার নীতিমালা, বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন ও তথ্য অধিকার আইন অবহিতকরণ’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্য তিনি এসব কথা বলেন। বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের উদ্যোগে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের বঙ্গবন্ধু হলে এ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, সদস্যপদ দেওয়া কিংবা সাংবাদিক হিসেবে নির্দিষ্ট করতে প্রেস ক্লাব, সাংবাদিক ইউনিয়নকে ভূমিকা রাখতে হবে। প্রয়োজনে এ ক্ষেত্রে সরকার সহযোগিতা করতে পারে।

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ হিসেবে গণমাধ্যমের ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বস্তুগত উন্নয়নের মাধ্যমে অবকাঠামো করা যায়, কিন্তু উন্নত জাতি গঠন সম্ভব নয়। সে জন্য মানুষের নৈতিকতা ও দেশাত্মবোধের উন্নয়ন প্রয়োজন। এটি না হলে বস্তুগতভাবে রাষ্ট্র এগিয়ে গেলেও সম্মিলিত উন্নয়ন হবে না।

পেশার মর্যাদা রক্ষায় সাংবাদিক সংগঠনগুলোকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান বিচারপতি মোহাম্মদ মমতাজ উদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেন, ‘কে সাংবাদিক আর কে সাংঘাতিক এটা আপনাদের ঠিক করতে হবে। সাংবাদিককে সাংঘাতিক বলা আর শুনতে চাই না। রাস্তাঘাটে যে কেউ সামনে এসে বলবে—আমি সাংবাদিক, এটা আর চাই না। থানা লেভেলে যারা কাজ করে তাদের তো মানুষ ভয় পায়।’

বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের সদস্য ও বাংলাদেশ প্রতিদিন সম্পাদক নঈম নিজাম বলেন, ‘আমাদের পত্রিকায়, টেলিভিশনে এখন শিক্ষিতরা আসছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা দেখেই কিন্তু চাকরি দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু অনলাইনগুলোতে দেওয়া হচ্ছে না। এ জায়গাটা ঠিক করতে হবে। কারো ইচ্ছে হলো, অনলাইন খুলে নিজেকে সম্পাদক-সাংবাদিক দাবি করবে, এটা চলতে পারে না।’

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা