kalerkantho

রবিবার। ১৬ জুন ২০১৯। ২ আষাঢ় ১৪২৬। ১২ শাওয়াল ১৪৪০

মডেল রাউধার মৃত্যু

তদন্ত প্রতিবেদন চেয়েছে ইন্টারপোল

নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী   

১৯ মে, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



রাজশাহী ইসলামী ব্যাংক মেডিক্যাল কলেজের ছাত্রী ও মালদ্বীপের নাগরিক মডেল রাউধা আতিফের মৃত্যুর ঘটনার তদন্ত প্রতিবেদন চেয়েছে আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা ইন্টারপোল। পাশাপাশি রাউধার লাশের ভিসেরা, ময়নাতদন্ত ও সুরতহাল প্রতিবেদনও চাওয়া হয়েছে। এ জন্য ইন্টারপোলের মাধ্যমে মালদ্বীপ সরকারের পক্ষ থেকে বাংলাদেশকে চিঠি দেওয়া হয়েছে।

এর পরই এ মামলার তদন্ত সংস্থা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) রাজশাহী কার্যালয় থেকে এসব কাগজপত্র তলব করেছে পুলিশ সদর দপ্তর, ঢাকা। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, পিবিআইয়ের ডিআইজি বনজ কুমার মজুমদার রাজশাহী অফিসকে জরুরি ভিত্তিতে মডেল রাউধার মামলার তথ্য-উপাত্ত পাঠানোর জন্য নির্দেশ দিয়েছেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও পুলিশ সদর দপ্তরের ইন্টারপোল ডেস্কের মাধ্যমে এ বিষয়ে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য বলা হয়েছে তাঁকে।

এ ব্যাপারে পিবিআই রাজশাহী কার্যালয়ের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘রাউধার আত্মহত্যার ময়নাতদন্ত ও ভিসেরা রিপোর্টসহ তিনটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন চেয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর। সেগুলো পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। পিবিআইয়ের তদন্তে রাউধা আত্মহত্যা করেছিলেন বলে উল্লেখ আছে। আমরা এরই মধ্যে এ বিষয়ে আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেছি।’

প্রসঙ্গত, মালদ্বীপের নাগরিক রাউধা আতিফ রাজশাহীর ইসলামী ব্যাংক মেডিক্যাল কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী ছিলেন। ২০১৭ সালের ২৯ মার্চ মেডিক্যালের ছাত্রী হোস্টেলে নিজ কক্ষ থেকে তাঁর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনার পরদিন নগরীর শাহমখদুম থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা করে মেডিক্যাল কলেজ কর্তৃপক্ষ। পরে শাহমখদুম থানার পুলিশ, গোয়েন্দা পুলিশ  ও সিআইডি এ নিয়ে তদন্ত করে। এ ছাড়া মালদ্বীপ পুলিশের দুজন কর্মকর্তাও এ ঘটনার তদন্ত করতে বাংলাদেশে আসেন।

তবে রাউধার বাবা মোহাম্মদ আতিফ বরাবরই আত্মহত্যার প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করে আসছিলেন। তাঁর দাবি, রাউধাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। শেষে ২০১৭ সালের ডিসেম্বরে তাঁর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে রাজশাহীর আদালত ঘটনাটি তদন্তের জন্য পিবিআইকে দায়িত্ব দেন।  পিবিআইয়ের তদন্ত প্রতিবেদনেও রাউধা আত্মহত্যা করেছেন বলে উল্লেখ করা হয়।

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা