kalerkantho

মঙ্গলবার । ২৫ জুন ২০১৯। ১১ আষাঢ় ১৪২৬। ২২ শাওয়াল ১৪৪০

ধর্ষিত ছাত্রীর আত্মহত্যা

পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী   

১৯ মে, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলার বাকশিমইল উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী সুমাইয়া আক্তার বর্ষা (১৪) ধর্ষণের শিকার হয় গত ২৩ এপ্রিল। মেয়েটির বাবা থানায় ধর্ষণের মামলা দিলেও পুলিশ সেটি গ্রহণ না করে অপহরণ চেষ্টার অভিযোগে মামলা নেয়। আর সেই মামলায় দফায় দফায় তদন্তের নামে চলে মেয়েটির ওপর মানসিক নির্যাতন। পাশাপাশি প্রতিবেশীদের নানা ধরনের অশালীন মন্তব্যে শেষ পর্যন্ত মেয়েটি গত ১৬ মে আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়।

পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, তদন্তের নামে পুলিশ ধারাবাহিকভাবে মেয়েটির ওপর যে অত্যাচার করেছে এবং নিরাপত্তহীনতায় ফেলেছে, তাতে শেষ পর্যন্ত মেয়েটি আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়। এ নিয়ে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে স্থানীয় মানুষের মধ্যে। তারা জড়িত পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

এদিকে আসামিদের নানাভাবে সুরক্ষা দেওয়া পুলিশ ঘটনার পর ধর্ষণের মূল হোতা মুকুলের বৃদ্ধ নানিসহ দুই প্রতিবেশীকে গ্রেপ্তার করেছে।

গ্রেপ্তাররা হলো, সখিনা বেওয়া (৭০), আব্দুর রহমান (৪৫) ও রাব্বি (১৭)। ঘটনার সঙ্গে জড়িতরা হলো রাজশাহী কলেজের শিক্ষার্থী মুকুল হোসেন (২২) ও সহপাঠী সোনিয়া খাতুন। তাদের মধ্যে সোনিয়া জামিনে রয়েছে। আর মুকুল জেলহাজতে।

বর্ষার বাবার অভিযোগ, ঘটনার পর তিনি থানায় ধর্ষণ মামলা করতে গেলেও পুলিশ প্রথমে মামলা নেয়নি। শেষে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার হস্তক্ষেপে ঘটনার চার দিন পর ২৭ এপ্রিল মামলা নেয় পুলিশ।

 

 

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা