kalerkantho

শনিবার । ২৫ মে ২০১৯। ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬। ১৯ রমজান ১৪৪০

সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বাড়ানোর প্রস্তাব সংসদে নাকচ

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৬ এপ্রিল, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বাড়াতে সংসদ অধিবেশনে আনা সিদ্ধান্ত প্রস্তাবটি কণ্ঠভোটে নাকচ হয়ে গেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে সংসদের বেসরকারি দিবসে বগুড়া-৭ থেকে নির্বাচিত স্বতন্ত্র সদস্য মো. রেজাউল করিম লাবলু প্রস্তাবটি উত্থাপন করেন। ‘সরকারি চাকরিতে ঢোকার বয়সসীমা ৩৫ বছরে উন্নীত করা হোক’ লিখে প্রস্তাবটি উত্থাপন করেন তিনি।

প্রস্তাবের জবাব দিতে গিয়ে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. ফরহাদ হোসেন সংসদকে বলেন, সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা না বাড়ানোর ব্যাপারে সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্ত রয়েছে। দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি অত্যন্ত ভালো। সে সুবাদে ২২-২৩ বছরের মধ্যেই একজন শিক্ষার্থী স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করতে পারছে। কাজেই তারা চাকরিতে প্রবেশে সাত বছর সময় পাচ্ছে, যা যথেষ্ট।

সভাপতির আসনে থাকা ডেপুটি স্পিকার অ্যাডভোকেট মো. ফজলে রাব্বী মিয়া প্রস্তাবটি ভোটে দিলে তা কণ্ঠভোটে নাকচ হয়ে যায়। এর আগে প্রতিমন্ত্রী প্রস্তাবটি প্রত্যাহারের অনুরোধ জানালেও প্রত্যাহার করেননি ওই সদস্য।

প্রতিমন্ত্রী এর আগে বলেন, স্বাধীনতা-উত্তর সময়ে চাকরিতে প্রবেশের বয়স ছিল মাত্র ২৫ বছর, পরবর্তী সময়ে ২৭ বছর করা হয়। সর্বশেষ ৩০ বছর করা হয়েছে। সাধারণ শিক্ষার্থীদের জন্য বিসিএস পরীক্ষায় ৩০ বছর এবং মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের জন্য ৩২ বছর করা হয়েছে।

আরেক ব্যাখ্যায় প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রস্তাব অনুযায়ী যদি ২৩ বছরে একজন শিক্ষার্থী লেখাপড়া শেষ করে চাকরিতে প্রবেশ করেন আর ৩৫ বছরে একজন চাকরিতে প্রবেশ করেন তাহলে দুজনের মধ্যে বয়সের অসামঞ্জস্যতা দেখা দেবে।

মন্তব্য