kalerkantho

সোমবার। ২৭ মে ২০১৯। ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬। ২১ রমজান ১৪৪০

গফরগাঁওয়ে রিকশাচালকের পরিবারের পাশে ইউএনও

নির্যাতনকারী ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা

গফরগাঁও (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি   

২৫ এপ্রিল, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে ইউপি সদস্যের নির্যাতনের শিকার রিকশাচালক বাদল মিয়ার অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী মাহবুব উর রহমান। গতকাল বুধবার দৈনিক কালের কণ্ঠে গরু চুরির অপবাদ দিয়ে বাদলকে জেলহাজতে পাঠানোর প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ার পর দুপুরের দিকে কাজী মাহবুব উর রহমান উপজেলার উস্থি ইউনিয়নের বড়বাড়ি গ্রামে বাদল মিয়ার বাড়িতে যান। তিনি এ সময় বাদলের স্ত্রী রাবেয়া বেগমকে ব্যক্তিগত তহবিল থেকে আর্থিক সহায়তা প্রদান ও সমবেদনা জানান। পাশাপাশি অসহায় পরিবারটিকে সার্বিক সহায়তারও আশ্বাস দেন। এ সময় উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা খালেদা বেগম, ইউপি চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম তোতাসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে বাদলকে গরু চুরির অপবাদ দিয়ে নির্যাতন ও মামলায় ফাঁসানোর জন্য তাঁর স্ত্রী রাবেয়া বেগম বাদী হয়ে গতকাল বুধবার বিকেলে ইউপি সদস্য আবুল কাশেমের বিরুদ্ধে পাগলা থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।

উল্লেখ্য, উপজেলার বড়বাড়ি গ্রামের আলামিন মিয়ার একটি গরু গত ১২ এপ্রিল রাতে চুরি করে একই গ্রামের হিমেল (২৫) নামের এক ব্যক্তি। পরদিন ভোরে পাশের পাল্টিপাড়া গ্রাম দিয়ে যাওয়ার সময় গরুসহ হিমেলকে আটক করে স্থানীয়রা। এ সময় উস্থি ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য আবুল কাশেম সেখানে যান। তিনি হিমেলের সঙ্গে কথা বলে আলামিনকে ফোন করে গরু নিয়ে যেতে বলেন। আলামিন বাদলের রিকশাসহ আরো তিন-চারটি রিকশায় লোকজন নিয়ে সেখানে উপস্থিত হলে আবুল কাশেম বাদলকে চোর সাব্যস্ত করে পেটাতে থাকেন। তিনি গরু চুরির অপবাদ দিয়ে বাদলকেও পুলিশের হাতে সোপর্দ করেন। পাগলা থানা পুলিশ বাদলকেও গরু চুরি মামলায় আদালতের মাধ্যমে ময়মনসিংহ জেলহাজতে পাঠায়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী মাহবুব উর রহমান বলেন, ‘আবুল কাশেম বাদল মিয়াকে গরু চুরির অপবাদ দিয়ে মারপিট করার কথা স্বীকার ও ক্ষমা প্রার্থনা করে ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে আমার কাছে পত্র দিয়েছেন।’

পাগলা থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) ফয়জুর রহমান বলেন, বাদল মিয়ার স্ত্রী রাবেয়া বেগম ইউপি সদস্য আবুল কাশেমকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলা নম্বর ১৫।

মন্তব্য