kalerkantho

বুধবার । ২২ মে ২০১৯। ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬। ১৬ রমজান ১৪৪০

তুরাগ ও শীতলক্ষ্যার তীরে অভিযান

বায়িং হাউসসহ উচ্ছেদ শতাধিক অবৈধ স্থাপনা

নিজস্ব প্রতিবেদক ও রূপগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি   

২৪ এপ্রিল, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বায়িং হাউসসহ উচ্ছেদ শতাধিক অবৈধ স্থাপনা

বিআইডাব্লিউটিএ গতকাল টঙ্গীর তুরাগতীরের ইজতেমা মাঠের পশ্চিম পাশে কাঁচাবাজার স্লুইস গেট এলাকায় অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে। ছবি : কালের কণ্ঠ

নদীর তীর দখলমুক্ত করতে চলমান অভিযানে গতকাল মঙ্গলবার বুলডোজার উঠেছে আবাসিক ভবনসহ শতাধিক স্থাপনার ওপর। নিলামে বিক্রি হয়েছে ১৪ লাখ টাকার মালামাল। টঙ্গী ব্রিজ-সংলগ্ন এলাকায় গতকাল উচ্ছেদের আওতায় পড়ে গার্মেন্ট কারখানার বর্ধিত অংশ, বায়িং হাউসসহ বাণিজ্যিক ও আবাসিক ভবন। বালুমহালসহ নির্মাণসামগ্রীর গদিঘর পড়েছে বেশ কয়েকটি।

কামারপাড়া স্লুইসগেট এলাকা থেকে টঙ্গী বাজার পর্যন্ত তুরাগের দুই তীরে একযোগে এ উচ্ছেদ অভিযান চলে। টঙ্গী ব্রিজ ও বাজারসংলগ্ন এলাকাটিতে অনেক কারখানা ও বাণিজ্যিক স্থাপনা গড়ে তোলা হয়েছে নদীর জমিতে। সংশ্লিষ্টরা জানায়, দখলি অংশের ব্যাপারে পুরোপুরি অবগত ব্যবসায়ীরা। নোটিশ দেওয়ার পরও তারা স্থাপনা সরাতে রাজি হয়নি। শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত দখলদাররা চেষ্টা চালিয়েছে উচ্ছেদ বাধাগ্রস্ত করার। এমনকি তিন দিন আগে যখন চূড়ান্ত নোটিশ দিতে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডাব্লিউটিএ) দল পাঠায় তখন কর্মকর্তাদের জরিপকাজ ও কারখানার ভেতরে প্রবেশে বাধা দেওয়া হয়। বাইরে থেকে স্পষ্ট দেখা যায়, নদীর সীমানা পিলার ডিঙিয়ে তৈরি করা হয়েছে স্থাপনা। কারখানার বর্জ্য সরাসরি তুরাগে ফেলার জন্য তৈরি করা হয়েছে ড্রেন।

শীতলক্ষ্যার তীরে আরো ৩০টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে দ্বিতীয় ধাপে শীতলক্ষ্যার পশ্চিম তীরে চনপাড়া এলাকায় অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ শুরু করেছে বিআইডাব্লিউটিএ নারায়ণগঞ্জ নদীবন্দর কর্তৃপক্ষ। মঙ্গলবার সকাল থেকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দীপ্তিময়ী জামানের নেতৃত্বে  বিআইডাব্লিউটিএ নারায়ণগঞ্জ নদীবন্দরের যুগ্ম পরিচালক মো. গুলজার আলী ও উপপরিচালক মো. শহীদুল্লাহর তত্ত্বাবধানে এ অভিযানটি পরিচালিত হয়।

দুপুর ২টা পর্যন্ত অভিযানে পাকা ও আধাপাকা বসতবাড়িসহ অন্তত ৩০টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়।

মন্তব্য