kalerkantho

বুধবার । ২২ মে ২০১৯। ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬। ১৬ রমজান ১৪৪০

আন্দোলনের এক মাস

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে অচলাবস্থা চলছেই

নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল   

২৪ এপ্রিল, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



শিক্ষার্থী এবং পরবর্তী সময়ে শিক্ষকদের আন্দোলনের ফলে ২৯ দিন ধরে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস, পরীক্ষা এবং প্রশাসনিক কার্যক্রম স্থবির রয়েছে। এতে শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবন চরম ক্ষতির মুখে পড়েছে। এ নিয়ে তারা উদ্বেগও প্রকাশ করে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এস এম ইমামুল হকের পদত্যাগের দাবিতে শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি শিক্ষক সমিতির একাংশ অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত রেখেছে। এ ছাড়া কর্মচারীদের অধিকাংশ কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছেন।

গতকাল মঙ্গলবার সকালে প্রশাসনিক ভবনের সামনে শিক্ষার্থীরা জড়ো হয়ে অবস্থান কর্মসূচি পালন করে। এ সময় তারা উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকে ও গণস্বাক্ষর সংগ্রহ করে।

দিনের পর দিন একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ থাকায়  হাজার হাজার  শিক্ষার্থী সেশনজটের মুখে পড়তে যাচ্ছে। আন্দোলনের কারণে রুটিন অনুযায়ী যে পরীক্ষাগুলো হওয়ার কথা ছিল, সেগুলো নেওয়া সম্ভব হয়নি। নতুন করে আবার পরীক্ষার রুটিন তৈরিতে অনেক সময় ব্যয় হবে। আবার উপাচার্যের অনুপস্থিতিতে পরীক্ষার ফল প্রকাশও সম্ভব নয়।

শিক্ষার্থীরা বলে, পরীক্ষা অথবা ফলাফল প্রকাশে দেরি হলে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় অনীহা দেখা দেবে। এতে পরীক্ষার ফলে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। তাই বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন। শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবন এতটা অনিশ্চয়তার মধ্যে ফেলে দেওয়ার কোনো যুক্তি নেই।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধি লোকমান হোসেন বলেন, ‘উপাচার্যের পদত্যাগ অথবা পূর্ণ মেয়াদে ছুটিতে যাওয়ার বিষয়ে লিখিত সিদ্ধান্ত হাতে না পাওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে। এক দফা দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনের কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে। প্রয়োজনে আন্দোলন আরো কঠোর হবে। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমরা ক্লাসে ফিরব না।’

শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবু জাফর মিয়া বলেন,  শিক্ষকদের পদোন্নতির ক্ষেত্রে তিন বছরের নিয়ম সিন্ডিকেটে রহিত করা, জ্যেষ্ঠতার ক্ষেত্রে অস্পষ্টতা, চিকিৎসা-শিক্ষা ছুটিতে অনিয়ম, বিভাগীয় চেয়ারম্যান পদে উপাচার্যের পছন্দের লোকদের নিয়োগসহ নানা অনিয়ম বন্ধের দাবিতে তাঁরা আন্দোলন করছেন।

মন্তব্য