kalerkantho

বুধবার । ২২ মে ২০১৯। ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬। ১৬ রমজান ১৪৪০

সীতাকুণ্ডে গাড়ি আত্মসাৎ

এসআই হামজার বিরুদ্ধে অভিযোগের প্রমাণ মিলেছে

সীতাকুণ্ড (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি   

২৩ এপ্রিল, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড মডেল থানার এসআই আমির হামজার বিরুদ্ধে মাদক কারবারির গাড়ি আত্মসাতের অভিযোগের সত্যতা পেয়েছে তদন্ত কমিটি। বিষয়টি এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে। তবে অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তা নিজেকে নির্দোষ দাবি করেছেন।

জানা গেছে, ২০১৬ সালের ১৪ ডিসেম্বর সীতাকুণ্ড উপজেলার বড়দারোগাহাট এলাকা থেকে ফেনসিডিলসহ একটি প্রাইভেট কার ও একটি কাভার্ড ভ্যান জব্দ করে র‌্যাব-৭। পরে জব্দ গাড়ি থানায় হস্তান্তর করে মোতাহের হোসেন নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য আইনে মামলা করেন র‌্যাব কর্মকর্তারা। পরে কারটি (ঢাকা মেট্রো-গ-২৯-৩৫৩৫) জিম্মায় পেতে হাইকোর্টে আবেদন করেন মোতাহের। আদালত ১০ লাখ টাকার বন্ডে গাড়িটি মোতাহেরের জিম্মায় দেন। তবে গত জানুয়ারিতে মোতাহের হোসেন পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে অভিযোগ করে জানান, আদালত তাঁকে গাড়িটি জিম্মায় দিতে নির্দেশ দিলেও এসআই আমির হামজা তা দেননি। এ ছাড়া ক্রসফায়ারের হুমকি দিয়ে ২০ লাখ টাকা দাবি করেন ওই পুলিশ কর্মকর্তা। গাড়ি মেরামতের নাম করে মোতাহেরের কাছ থেকে ২৭ হাজার টাকা নেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করা হয়। এ অভিযোগের তদন্তভার পান সীতাকুণ্ড (সার্কেলের) অ্যাডিশনাল এসপি শম্পা রানী সাহা। গত ১৯ ফেব্রুয়ারি তিনি তদন্ত প্রতিবেদন পুলিশ সুপারের কাছে জমা দিয়েছেন। এতে আমির হামজার বিরুদ্ধে মোতাহেরের করা অভিযোগের সত্যতা মেলার কথা বলা হয়েছে। একই সঙ্গে ওই পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় শাস্তির সুপারিশ করা হয়েছে।

তবে সীতাকুণ্ড থানার ওসি দেলওয়ার হোসেন ও অভিযুক্ত এসআই আমির হামজা দাবি করেছেন, মোতাহেরের অভিযোগ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। মোতাহের হোসেন একজন তালিকাভুক্ত মাদক কারবারি। তিনি গাড়িটি বিক্রি করে হামজাকে ফাঁসিয়ে দিয়েছেন।

এ বিষয়ে জানতে অ্যাডিশনাল এসপি শম্পা রানী সাহার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাঁকে পাওয়া যায়নি।

পুলিশ সুপার নূরে আলম মিনা বলেন, তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়া গেছে। এখনো সেটি দেখা হয়নি। তদন্তকালে অসহযোগিতা ও কক্সবাজারে দায়িত্ব পালনে অবহেলার কারণে এসআই আমির হামজাকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

মন্তব্য