kalerkantho

সোমবার । ২০ মে ২০১৯। ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬। ১৪ রমজান ১৪৪০

স্থায়ী কমিটির বৈঠক

সংসদে না যাওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বিএনপির

দলের সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে শপথ নিলে ব্যবস্থা
খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য প্যারোল নয়, আইনি লড়াই চালানোর সিদ্ধান্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৩ এপ্রিল, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



দলের নির্বাচিত এমপিরা শপথ নেবেন না বলে সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বিএনপি স্থায়ী কমিটির নেতারা। বিষয়টিকে মীমাংসিত ইস্যু মনে করে জাতীয় সংসদে না যাওয়ার বিষয়ে একমত পোষণ করেছেন তাঁরা। কেউ দলের সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে শপথ নিলে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ারও পরামর্শ দেন স্থায়ী কমিটির একাধিক সদস্য।

রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনেতিক কার্যালয়ে গতকাল সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা থেকে দেড় ঘণ্টাব্যাপী স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এসব সিদ্ধান্ত হয়। বৈঠকে লন্ডন থেকে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানও যুক্ত হয়ে এসব সিদ্ধান্তে একমত পোষণ করেন। বৈঠকে দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য প্যারোলের আবেদন না করে জামিনের জন্য আইনি লড়াইয়ে আরো গুরুত্ব দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

বৈঠক শেষে স্থায়ী কমিটির এক নেতা জানান, বিএনপির নির্বাচিত এমপিরা শপথ নিচ্ছেন—এমন সংবাদের পরিপ্রেক্ষিতে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্কাইপে সিনিয়র নেতাদের মতামত জানতে চান। বৈঠকে উপস্থিত স্থায়ী কমিটির সবাই শপথ না নেওয়ার পক্ষে মত দেন। তাঁদের সবার অভিন্ন মতামতের ওপর ভিত্তি করে এমপিদের শপথ না নেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়। নেতাদের মতে, তাঁরা যে নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করেছেন সে নির্বাচনের সংসদে যাওয়া মানে জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করা। কেউ শপথ নিলে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্তও হয় বৈঠকে।

স্থায়ী কমিটির একজন আইনজীবী সদস্য জানান, বেগম জিয়ার স্বাস্থ্য নিয়েও আলোচনা হয়। এ সময় হাসপাতালে তাঁর চিকিৎসা কেমন চলছে এর তদারকি করারও সিদ্ধান্ত হয়। তাঁর চিকিৎসায় কোনো সমস্যা আছে কি না সেদিকে খেয়াল রাখার কথা হয়েছে। খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য আইনি লড়াই আরো জোরদার ও সমন্বিত করার সিদ্ধান্ত হয়। মামলা পরিচালনার জন্য সিনিয়র আইনজীবীদের সুনির্দিষ্ট দায়িত্ব বণ্টন করে দেওয়া হয় বৈঠকে।

বৈঠকে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ছাড়াও স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান ও আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য