kalerkantho

বুধবার । ২২ মে ২০১৯। ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬। ১৬ রমজান ১৪৪০

মেলান্দহে ১০ টাকা দরের ২০০ বস্তা চাল জব্দ

ব্যবসায়ী আটক উৎস জানা যায়নি

জামালপুর প্রতিনিধি   

২১ এপ্রিল, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলায় কালোবাজারে বিক্রির উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া সরকারি খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ১০ টাকা কেজি দরের ২০০ বস্তা চাল জব্দ করেছে পুলিশ। গতকাল শনিবার দুপুরে উপজেলার ভাঙ্গুনিডাঙ্গা তেঘরিয়া এলাকা থেকে পুলিশ মিনি ট্রাকটি আটকে চালগুলো জব্দ করে। তবে চালগুলো কোনো সরকারি গুদাম থেকে নাকি ডিলারের কাছ থেকে নেওয়া হয়েছে, তা জানতে চাইলে পুলিশের কাছ থেকে কোনো সদুত্তর পাওয়া যায়নি।

এই কালোবাজারির সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে আপেল মাহমুদ নামের এক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়। তিনি মেলান্দহ উপজেলার ঝাউগড়া ইউনিয়নের ঝাউগড়া গ্রামের ইমান আলীর ছেলে।

পুলিশ জানায়, সরকারি খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল কালোবাজারে বিক্রি হয়েছে—সরকারি গোয়েন্দা সংস্থা এনএসআইয়ের এমন গোপন তথ্যের ভিত্তিতে ওই সংস্থা এবং মেলান্দহ থানার পুলিশের একটি যৌথ দল অভিযানে নামে। গতকাল দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তারা জামালপুর-মাদারগঞ্জ সড়কের মেলান্দহ উপজেলার চরবানীপাকুরিয়া ইউনিয়নের ভাঙ্গুনিডাঙ্গা তেঘরিয়া এলাকা থেকে ২০০ বস্তা চালবোঝাই একটি মিনি ট্রাক আটক করে। প্রতি বস্তায় ৩০ কেজি চাল হিসাবে ওই গাড়িতে মোট ছয় টন চাল পাওয়া যায়। এ সময় চাল পাচারের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে আপেল মাহমুদকে আটক করে পুলিশ।

পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, আপেল মাহমুদ একজন খাদ্যপণ্য ব্যবসায়ী। তিনি মেলান্দহ উপজেলার ঝাউগড়া ইউনিয়নে মেসার্স নাহার রাইসমিল ভাড়া নিয়ে ধান-চালের ব্যবসা করেন। জব্দ করা চালগুলো সরকারি খাদ্য অধিদপ্তরের সিলযুক্ত বস্তায় হওয়ায় প্রাথমিকভাবে সরকারি খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ।

মেলান্দহ থানার ওসি গাজী মো. সাখাওয়াত হোসেন কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘সরকারি খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চালগুলোর ক্রেতা আপেল মাহমুদকে আসামি করে থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। তিনি চালগুলো কোথা থেকে কিনেছেন, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’ তবে চালের উৎস সম্পর্কে আটক ব্যক্তি কী বলেছেন, তা তিনি জানাতে পারেননি।

মন্তব্য