kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২০ জুন ২০১৯। ৬ আষাঢ় ১৪২৬। ১৬ শাওয়াল ১৪৪০

বন্দুকযুদ্ধে গাজীপুর বগুড়ায় নিহত ২

নিজস্ব প্রতিবেদক, গাজীপুর ও বগুড়া   

২০ এপ্রিল, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



গাজীপুর ও বগুড়ায় বন্দুকযুদ্ধে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে গাজীপুরে র‌্যাবের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে মারা যান হাবিবুর রহমান হাবিব (৩৫)। অন্যদিকে বগুড়া শহরে বন্দুকযুদ্ধে শীর্ষ সন্ত্রাসী রাফিদ আনাম ওরফে স্বর্গ (২৫) নিহত হয়েছেন।   

গাজীপুরে হাবিবুর রহমান হাবিবের মাথা এবং পায়ে পাঁচ-সাতটি গুলির চিহ্ন রয়েছে। গত বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৩টার দিকে গাজীপুর মহানগরীর সালনা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। র‌্যাবের দাবি, নিহত যুবক অস্ত্র ব্যবসায়ী। হাবিব গাজীপুর মহানগরীর বারবইকা এলাকার আব্দুল বারেকের ছেলে। তার বিরুদ্ধে হত্যা, হামলা, জমি দখলসহ ১০/১২ টি মামলা রয়েছে।

র‌্যাব-১-এর গাজীপুর ক্যাম্পের কমান্ডার লে. কমান্ডার আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, সালনা এলাকায় একদল অবৈধ অস্ত্র কারবারি অস্ত্র বেচাকেনা করছে—এমন খবর পেয়ে র‌্যাব ঘটনাস্থলে যায়। টের পেয়ে সন্ত্রাসীরা র‌্যাবকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। র‌্যাবও পাল্টা গুলি  ছোড়ে। প্রায় ১০ মিনিট উভয়ের মধ্যে গুলিবিনিময় হয়। একপর্যায়ে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে গেলে অজ্ঞাতপরিচয় একজনকে ঘটনাস্থলে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়।

এদিকে, বগুড়া শহরে গোলাগুলিতে শীর্ষ সন্ত্রাসী রাফিদ আনাম ওরফে স্বর্গ নিহত হয়েছেন। পুলিশের দাবি, বৃহস্পতিবার রাত দেড়টার দিকে উপশহরের ধুন্দাল  সেতু এলাকায় নামাজগড়-ধরমপুর সড়কে দুই দল সন্ত্রাসীর ‘গোলাগুলিতে’ রাফিদ আনাম (২৫) নামের ওই সন্ত্রাসী নিহত হন।

রাফিদ নিহত হওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন বগুড়া সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সনাতন চক্রবর্তী। তবে রাফিদের পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড।

পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, নিহত রাফিদ এলাকায় স্বর্গ নামে পরিচিত। তাঁর বাবা বগুড়ার শীর্ষ সন্ত্রাসী লিয়াকত আলী ২০০৬ সালে পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হন। কিশোর বয়সেই সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে যুক্ত হন রাফিদ। সর্বশেষ গত পয়লা বৈশাখ বগুড়া সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহবুব আলম শাহীন হত্যার ঘটনায় তিনি ভাড়াটে খুনি হিসেবে ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

মন্তব্য