kalerkantho

বুধবার । ২২ মে ২০১৯। ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬। ১৬ রমজান ১৪৪০

দুর্যোগ নিয়ে উদ্বিগ্ন সংসদীয় কমিটি

প্রস্তুত রাখা হয়েছে সোয়া লাখ স্বেচ্ছাসেবক

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২০ এপ্রিল, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ঝড়ের মৌসুম শুরু হয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে বাড়ছে তাপমাত্রাও। সেই সঙ্গে দেশের বিভিন্ন স্থানে ঘটছে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা। সব মিলিয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটি উদ্বিগ্ন। এ অবস্থায় দুর্যোগ মোকাবেলায় সরকারের নির্দেশনা বাস্তবায়নের তাগিদ দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দুর্যোগে জরুরি সেবা প্রদানের লক্ষ্যে প্রায় সোয়া লাখ স্বেচ্ছাসেবককে প্রশিক্ষণ দিয়ে প্রস্তুত করা হয়েছে।

জাতীয় সংসদ ভবনে সম্প্রতি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠক হয়। দুর্যোগ মোকাবেলায় গৃহীত নানা পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা হয় সেখানে। বিশেষ করে ‘জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কাউন্সিল’-এর পক্ষ থেকে দেওয়া নির্দেশনা বাস্তবায়নের অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়।

কমিটির সদস্য ও জাতীয় সংসদের হুইপ পঞ্চানন বিশ্বাস বলেন, ‘দেশে বিভিন্ন ধরনের দুর্যোগের ঝুঁকি থাকলেও তা মোকাবেলায় সরকার এরই মধ্যে নানা পদক্ষেপ নিয়েছে।’

কমিটির একাধিক সদস্য জানান, সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী ভূমিকম্প ও অগ্নিকাণ্ডের মতো দুর্যোগ মোকাবেলায় ‘জাতীয় বিল্ডিং কোড’ বাস্তবায়ন, ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়া, ঝুঁকিপূর্ণ ভবনগুলোতে সাইনবোর্ড লাগানো, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে বছরে অন্তত দুইবার ভূমিকম্পের মহড়া আয়োজন এবং একটি নির্দিষ্ট সময়ে সারা দেশে একযোগে নিজ নিজ অবস্থান থেকে ভূমিকম্প সচেতনতা-বিষয়ক কার্যক্রম গ্রহণের কথা বলা হয়েছে। এ ছাড়া নির্দিষ্ট তীব্রতার ভূমিকম্পে যেন স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়, সেভাবে বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংযোগ স্থাপনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

সূত্র জানায়, দুর্যোগ মোকাবেলায় গণমাধ্যমে সচেতনতামূলক কর্মসূচি প্রচার, ‘জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা তহবিল ও জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা তহবিল’ গঠন, সব উন্নয়ন কর্মসূচিতে পরিবেশগত প্রভাব সমীক্ষার মতো দুর্যোগের প্রভাব সমীক্ষা নিশ্চিত করা, দুর্যোগের ঝুঁকি কমাতে স্টেকহোল্ডারদের মতামত গ্রহণ, ‘জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা তথ্য পদ্ধতি’ নামে ওয়েবসাইট চালু, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় মোবাইল অ্যাপসের মাধ্যমে জনগণের অংশগ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি করা, ঢাকায় একটি স্বয়ংক্রিয় ‘ন্যাশনাল ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার’ প্রতিষ্ঠা এবং যেকোনো দুর্যোগের জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে পূর্বপ্রস্তুতি গ্রহণ করতে বলা হয়েছে।

মন্তব্য