kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২৭ জুন ২০১৯। ১৩ আষাঢ় ১৪২৬। ২৩ শাওয়াল ১৪৪০

ফুলপুরে বাড়ছে বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

ফুলপুর (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি   

১৯ এপ্রিল, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ময়মনসিংহের ফুলপুর উপজেলার হাসপাতালে বাড়ছে বিষপান করে ভর্তি হওয়া রোগীর সংখ্যা। চলতি বছরের ২২ ফেব্রুয়ারি থেকে ২২ মার্চ—এই এক মাসে ১৭ জন হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসে। তাদের মধ্যে আছে ১৮ থেকে ২৫ বছর বয়সের ছয় গৃহবধূ, ১৫ থেকে ১৬ বছরের দুই কলেজছাত্রী, ১৭ থেকে ২৫ বছরের তিন যুবক এবং তিন থেকে ছয় বছরের পাঁচ শিশু ও একজন ৬০ বছরের বৃদ্ধা। মূলত পারিবারিক নানা কারণে বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টার ঘটনা ঘটছে বলে জানা গেছে। কীটনাশক দ্রব্য সহজলভ্য হওয়ায় এসব ঘটনা বেড়ে গেছে।

সরেজমিন জানা যায়, গত ফেব্রুয়ারি মাসের শেষ সপ্তাহে ফুলপুর উপজেলা হাসপাতালে সাতজন ভর্তি হয়। তাদের মধ্যে উপজেলার ভাইটকান্দি ইউনিয়নের মিচকি গ্রামের মোফাজ্জলের স্ত্রী (২৪) ও রামভদ্রপুর সিংগেমারী গ্রামের আশরাফ আলীর স্ত্রী (১৮) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। সন্তান না হওয়া ও পারিবারিক বিরোধের কারণে মোফাজ্জলের স্ত্রী বিষপান করেন। আশরাফ আলীর স্ত্রী স্বামীর সঙ্গে সম্পর্কের টানাপড়েনে বিষপান করেন। এ ছাড়া উপজেলার বড়শুনুইর গ্রামের গিয়াস উদ্দিনের ১৮ বছর বয়সের ছেলে নিজের পছন্দমতো বিয়ে করতে না পারায় বিষপান করে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। হালুয়াঘাট উপজেলার বিলডোরা ইউনিয়নের বারিয়াকান্দা গ্রামের কামাল হোসেনের ১৫ বছরের মেয়ে সম্পর্কজনিত কারণে বিষপান করে। পৌরসভার সাহেব রোডের দ্বিন মোহাম্মদের পাঁচ বছরের শিশু ভুলবশত ঘরে থাকা কীটনাশক পান করে।

একই চিত্র দেখা যায় মার্চ মাসজুড়ে। দাম্পত্য কলহ, প্রেমে ব্যর্থতা, প্রতারণা, পরকীয়া এমন নানা ব্যক্তিগত ও পারিবারিক কারণে ফুলপুরে আত্মহত্যার প্রবণতা বেড়েছে। ফুলপুর হাসপাতালের চিকিৎসক প্রাণেশ পণ্ডিত জানান, বিষপান করা রোগীর চিকিৎসার ক্ষেত্রে আমাদের সতর্কতা অবলম্বন করতে হয়। দ্রুত নিয়ে এলে রোগীকে ভালো করা যায়।

ময়মনসিংহের সিভিল সার্জন আব্দুর রব কালের কণ্ঠকে বলেন, মানসিক চিকিৎসা করার মতো মানসিক রোগবিশেষজ্ঞ উপজেলায় নেই।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা