kalerkantho

বুধবার । ২২ মে ২০১৯। ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬। ১৬ রমজান ১৪৪০

১০০ কর্মদিবসে কাজের অগ্রগতি প্রকাশ পূর্তমন্ত্রীর

♦ ইমারতের নকশা অনুমোদনে বাদ দেওয়া হয়েছে ১২টি অপ্রয়োজনীয় ধাপ
♦ ফ্ল্যাট বিক্রয় ও নামজারি সহজ হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৭ এপ্রিল, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নেওয়ার পর ১০০ কর্মদিবস শেষ করেছেন মন্ত্রণালয়টির মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম। এই তিন মাস সময়ে রাজউকসহ মন্ত্রণালয়টির অধীনস্থ ১২টি সংস্থার সেবা সহজীকরণের ক্ষেত্রে বেশ কিছু দৃশ্যমান পরিবর্তন আনতে সক্ষম হয়েছেন তিনি। গতকাল মঙ্গলবার এই ১০০ দিনের মধ্যে নেওয়া নানা পদক্ষেপ প্রকাশ করেছে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়।

মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, বহুতল ইমারত নির্মাণের নকশা অনুমোদনের জন্য ১৬টি দপ্তরের ছাড়পত্র নেওয়ার বাধ্যবাধকতা ছিল। কিন্তু সম্প্রতি ওই তালিকা থেকে ১২টি ছাড়পত্র নেওয়ার বিধান বাদ দেওয়া হয়েছে। মাত্র চারটি দপ্তরের ছাড়পত্র নিয়ে সর্বোচ্চ ৫৩ দিনের মধ্যে নকশার অনুমোদন দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে। গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের এই সিদ্ধান্তের ফলে নগরবাসী ও ব্যবসায়ীদের সময় ও ভোগান্তি কমবে বলে কালের কণ্ঠ’কে জানিয়েছেন আবাসন ব্যবসায়ীদের সংগঠন রিহ্যাবের সভাপতি আলমগীর শামসুল আলামিন কাজল।

মন্ত্রণালয়টি আরো জানায়, ফ্ল্যাট বিক্রয়ের অনুমতি ও নামজারির জন্য অপ্রয়োজনীয় বিধান বাদ দিয়ে সুনির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সেবা প্রদানেরও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া আগামী ১ মে থেকে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ সংস্থাগুলোর সেবায় অটোমেশন পদ্ধতি চালু করার প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। এর ফলে ভোগান্তি ও সময় কমবে। পরীক্ষামূলকভাবে এর মধ্যে ডিজিটাল সেবা চালু করা হয়েছে। 

ঢাকার সব বহুতল ভবনের অনিয়ম চিহ্নিত করার জন্য ২৪টি দল মাঠে নেমে প্রতিবেদন জমা দিয়েছে মন্ত্রণালয়ে। এই প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে অনিয়ম করে গড়ে তোলা ভবনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পুরান ঢাকার অপরিকল্পিত ও ঝুঁকিপূর্ণ ভবন ভেঙে সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগে ‘রি-ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্টের’ আওতায় বহুতল ইমারত নির্মাণ করে জমির মালিকদের মধ্যে বণ্টনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

একই সঙ্গে প্রকল্প বাস্তবায়নে সময়ক্ষেপণ বন্ধ এবং রাজউকের গায়েব হয়ে যাওয়া ৮০০ নথি উদ্ধার করা হয়েছে।

শ ম রেজাউল করিম বলেন, ‘সেবাপ্রত্যাশীদের ভোগান্তি কমাতে গত ১০০ দিনে যেসব পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে তার সুফল পেতে শুরু করেছেন নাগরিকরা। গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ সংস্থাগুলোর যে দুর্নাম ছিল তা গোচানোর চেষ্টা করছি সবাইকে নিয়ে।’

মন্তব্য