kalerkantho

বুধবার । ২৬ জুন ২০১৯। ১২ আষাঢ় ১৪২৬। ২৩ শাওয়াল ১৪৪০

স্মৃতিসৌধে একা ডাকসু ভিপি নুর

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৭ মার্চ, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



স্মৃতিসৌধে একা ডাকসু ভিপি নুর

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের নবনির্বাচিত ভাইস প্রেসিডেন্ট নুরুল হক নুর ডাকসু প্যানেলের সঙ্গে নয়, একা জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন। ডাকসুর নির্বাচিত নেতারা প্রায় সবাই আগেই শ্রদ্ধা নিবেদন করলেও নুর করেছেন পরে। ডাকসুর নির্বাচিত প্রতিনিধিদের থেকে আলাদাভাবে এলেও নুরের সঙ্গে কোটা সংস্কার আন্দোলনের অন্যরা উপস্থিত ছিলেন। গতকাল সকাল সাড়ে ১০টায় জাতীয় স্মৃতিসৌধে নুর বলেন, ‘ফুল প্যানেল ওরা রাতে এসেছিল, আমি অসুস্থ ছিলাম তাই আসতে পারিনি। আর আপাতত আমি যেহেতু হলের বাইরে থাকি তাই বাইরে থেকে আসাটা আমার নিরাপত্তারও একটা বিষয় রয়েছে।’

এক প্রশ্নের জবাবে নুর জানান, সব বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রসংসদ নির্বাচনে সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ থেকে প্রার্থী দেওয়া হবে। তিনি বলেন, ‘আমরা গত বছরের একটি সংগঠন হলেও ছাত্রবান্ধব কর্মসূচি কিংবা ছাত্রদের দাবিদাওয়া নিয়ে আন্দোলন করে ছাত্রদের মধ্যে একটা জনপ্রিয়তা পেয়েছি। এমন একটা গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছি যে সেই জায়গা থেকে আমরা আশা করি, সব বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রসংসদ নির্বাচন অতি দ্রুত সময়ের মধ্যে হবে এবং আমাদের সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের পক্ষ থেকে আমরা অংশ নেব।’

ডাকসু ভিপি আরো বলেন, ‘৯০-পরবর্তীতে ছাত্ররাজনীতির নামে শিক্ষাঙ্গনগুলোতে যে অর্থ পেশিশক্তিনির্ভর অপরাজনীতির বিকাশ ঘটেছে সেটা শিক্ষার পরিবেশকে ব্যাহত করেছে। ক্যাম্পাসে আমরা দেখি যে আধিপত্যকে কেন্দ্র করে ছাত্রসংগঠনগুলোর মধ্যে সংঘর্ষ, টেন্ডারবাজি, সিট বাণিজ্যসহ বিভিন্ন সংকট এই লেজুড়বৃত্তিক ছাত্রসংগঠনগুলোর কারণে হয়ে থাকে। সেই জায়গা থেকে আমরা সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ ছাত্রদের দাবিদাওয়া নিয়ে কাজ করতে চাই এবং  স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন হিসেবে এটাকে দাঁড় করাতে চাই।’

নুর বলেন, ‘ঢাবিতে কী ধরনের অনিয়ম হয়েছে সেটা অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা দেখেছেন। অন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে এ ধরনের প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি হবে না, কারণ শিক্ষার্থীরা দেখেছে এখানে দুর্বলতা কী, আর সে কারণে ছাত্র ও শিক্ষকরাও সচেতন থাকবেন। ২০১৮ সালে ছাত্রদের মধ্যে যে একটা প্রতিবাদী চেতনা দেখেছেন কোটা সংস্কার আন্দোলন কিংবা নিরাপদ সড়ক আন্দোলনে, আমরা আশা করি, ছাত্ররাজনীতির অতীত ঐতিহ্য ফিরে আসবে।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা