kalerkantho

রবিবার। ১৬ জুন ২০১৯। ২ আষাঢ় ১৪২৬। ১২ শাওয়াল ১৪৪০

রাউজান-ফটিকছড়ি

এক সেতুর অভাবে লোকসান গুনতে হচ্ছে কৃষকদের

রাউজান (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি   

৯ মার্চ, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলান খিরাম অঞ্চলের কৃষকরা লাভের আশায় যে বেগুন চাষ করেছিল, সেই বেগুন বিক্রি করাই এখন তাদের জন্য কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। তিন কেজি বেগুন ১০ টাকায় কেনার মতো মানুষও মিলছে না। কৃষকদের অভিযোগ, যোগাযোগব্যবস্থা ভালো না হওয়ায় তারা বেগুনসহ বিভিন্ন সবজি বাইরের বাজারগুলোতে বিক্রি করতে পারছে না।

ওই এলাকার নূর মুহাম্মদ, নঈম উদ্দিন সওদাগর, হাছান মুরাদ, আক্তার হোসেন, রনি, হারুন, সেলিম ও শাহাবউদ্দীনের মতো অনেক কৃষক জানান, ক্ষেত থেকে বেগুন তুলতে দৈনিক মজুরি দিতে হয় জনপ্রতি ৬০০ টাকা। ফসল ফলানোর খরচ তো আছেই। কৃষকরা জানায়, তাদের ফসল সহজ পথে বাজারে সরবরাহ করা যায় না। বিশেষ করে ফটিকছড়ি দিয়ে যাতায়াতব্যবস্থা ভালো না হওয়ায় তারা বেশির ভাগ সময় রাউজান দিয়ে মালাপত্র চালান করে। কিন্তু তাতেও খুব একটা সুবিধা হয় না। সর্ত্তা খালে ব্রিজ না থাকায় সবচেয়ে বেশি বেগ পেতে হয় তাদের। নদীপথে প্রথমে তারা ফসল নিয়ে রাউজানের হলদিয়ায় নিয়ে রাখে। পরে সেখান থেকে বিভিন্ন বাজারে বিক্রি করা হয়। অন্যদিকে দূরত্ব বেশি হওয়ায় ফটিকছড়ি হয়ে চট্টগ্রাম শহর কিংবা নাজিরহাটে ফসল নিয়ে যেতেও অনেক সময় লাগে।

রাউজান ও ফটিকছড়িকে আলাদা করেছে সর্ত্তা খাল। কৃষক নুর মুহাম্মদ সওদাগর বলেন, ‘আমাদের এলাকায় গরুর ১২টি, মাছের ৩৫টি ও ৫৫টি পোল্ট্রি খামার রয়েছে। প্রায় দুই হাজার একর জমিতে চাষ হয় উন্নত জাতের ফল ও সবজি। কিন্তু যোগাযোগব্যবস্থা ভালো না হওয়ায় কৃষকরা ন্যায্য মূল্য পাচ্ছে না।’ তিনি বলেন, সর্ত্তা খালের ওপর দিয়ে একটি সেতু হলে অনেক কম সময়ে রাউজান হয়ে চট্টগ্রামে যাতায়াত করা যাবে। সে ক্ষেত্রে কৃষকরা ফসলের ন্যায্য মূল্য পাবে।

ওই খালের ওপর দিয়ে প্রস্তাবিত ‘হচ্ছারঘাট’ ব্রিজ বাস্তবায়ন সংগ্রাম কমিটির সাধারণ সম্পাদক দিদারুল আলম বলেন, ব্রিজ নির্মাণের লক্ষ্যে মাটি পরীক্ষার কাজ শেষ হয়েছে। সার্ভেয়ারের কাজও শেষ।

হলদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম বলেন, রাউজানে যে কয়েকটি নতুন ব্রিজ নির্মাণ হতে যাচ্ছে, হচ্ছারঘাট সেগুলোর একটি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা