kalerkantho

বুধবার । ২২ মে ২০১৯। ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬। ১৬ রমজান ১৪৪০

জেসিএক্স বিজনেস টাওয়ার

বিশ্বমানের বাণিজ্যিক ভবন বসুন্ধরায়

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৯ মার্চ, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



জাপানি স্থপতির তত্ত্বাবধানে, উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে বিশ্বমানের অত্যাধুনিক বাণিজ্যিক ভবন নির্মাণ হচ্ছে রাজধানীর বসুন্ধরায়। পরিবেশবান্ধব ‘স্টেট অব দ্য আর্ট’ আইকনিক এই ভবনের নাম দেওয়া হয়েছে জেসিএক্স বিজনেস টাওয়ার।

জাপানি কারিগরি সহায়তায় গড়ে তোলা এই ভবনে বেশ কটি বহুজাতিক কম্পানি তাদের লিয়াজোঁ অফিস করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে বলে জানান প্রতিষ্ঠানটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

তাঁরা আরো জানান, বসুন্ধরা ‘আই’ ব্লকে জাপান ক্রিড ও বাংলাদেশের জেমস ডেভেলপমেন্ট লিমিটেডের যৌথ বিনিয়োগে অত্যাধুনিক ফিচারসংবলিত এই ভবন হবে ১৩ তলা। ভবনটিতে থাকছে তিনতলা গাড়ি পার্কিং সুবিধা। এরই মধ্যে তিনতলা বেইসমেন্টসহ দ্বিতীয় তলার কাজ সম্পন্ন হয়েছে। তাঁরা আশা করছেন, ২০২০ সালের মধ্যে ভবটির নির্মাণকাজ শেষ হবে।

গতকাল শুক্রবার বাণিজ্যিক কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন উপলক্ষে প্রতিষ্ঠানটির উপদেষ্টা এনায়েত উল্ল্যাহ সিদ্দিকি কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘অত্যাধুনিক এই ভবনের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো তিন দিক খোলা। উত্তরে লেক, দক্ষিণে ৫০ ফিট প্রশস্ত রাস্তা এবং পশ্চিমে রয়েছে ৮০ ফিট চওড়া রাস্তা।’

যাতায়াত সুবিধার কথা উল্লেখ করে তিনি জানান, উত্তরা পূর্বাচল ৩০০ ফিট রাস্তা দিয়ে যেমন যাতায়াত করা যাবে, একই সঙ্গে আমেরিকান দূতাবাসের মাদানি এভিনিউ দিয়েও যাতায়াতের সুব্যবস্থা রয়েছে। এ ছাড়া প্রগতি সরণি তো থাকছেই।

বসুন্ধরার ভেতর এটি একটি ইউনিক প্রকল্প উল্লেখ করে প্রতিষ্ঠানের বিজনেস ডেভেলপমেন্ট ম্যানেজার আমিনি মুসভি জানান, আলো-বাতাস আর সবুজের সমারোহে একটি অনন্য প্রকল্প এই বসুন্ধরায়। এখানকার ভোক্তাদের জন্য একটি ডেডিকেটেড ফ্লোর থাকছে। এ ছাড়া ভবনটিতে এসটিপি ন্যানো টেকনোলজি ব্যবহার করার ফলে সম্পূর্ণ পরিবেশবান্ধব উপায়ে বর্জ্য পরিশোধনের ব্যবস্থা রয়েছে।

মুসভি আরো জানান, ভবনের নকশায় রয়েছে জাপানি স্থপতির গভীর মমতা। ফলে এটি পরিণত হয়েছে স্ট্র্যাটেজিক লোকেশন মিক্সড আইকনিক ডিজাইন ভবন।

প্রতিষ্ঠানটির হেড অব সেলস মঞ্জুরুল ইসলাম বলেন, ৫০ কাঠা জমির ওপর তৈরি এই ভবনের দুটি ফ্লোর হবে শোরুম। ন্যূনতম একটি শোরুমের আকার হবে চার হাজার ৫০০ বর্গফুট। বিশ্বমানের সুবিধাসহ অত্যন্ত সাশ্রয়ী ও আকর্ষণীয় মূল্যে দেওয়া হচ্ছে এসব ফ্লোর।

ভবনটির অন্যান্য সুবিধার মধ্যে রয়েছে—ভবনে প্রবেশের ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয়ভাবে সিসিটিভির মাধ্যমে নজরদারিসহ কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা রাখা হয়েছে। অগ্নি দুর্ঘটনার অত্যাধুনিক নিরাপত্তা সরঞ্জাম ব্যবস্থার মধ্যে রয়েছে ফায়ার ফাইটিং সিস্টেম, ফায়ার ডোর, স্প্রিংকলার, ফায়ার অ্যালার্ম কন্ট্রোল প্যানেল ও স্মোক ডিটেক্টর। ভবনের রক্ষণাবেক্ষণে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ‘গনডোলাস ক্রেন’ সিস্টেমের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

জাপানি আবাসন খাতের আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান ক্রিড ও বাংলাদেশের জেমস ডেভেলপমেন্ট লিমিটেড যৌথভাবে এই ভবনে বিনিয়োগ করছে বলে জানান প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তারা।

মন্তব্য