kalerkantho

বুধবার । ২৬ জুন ২০১৯। ১২ আষাঢ় ১৪২৬। ২৩ শাওয়াল ১৪৪০

বিদ্যুৎ খাতে দক্ষিণ কোরীয় বিনিয়োগ চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

রোহিঙ্গাদের সফল প্রত্যাবাসন চায় দক্ষিণ কোরিয়া ও ডেনমার্ক

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

২১ নভেম্বর, ২০১৮ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বিদ্যুৎ খাতে দক্ষিণ কোরীয় বিনিয়োগ চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে গতকাল তাঁর কার্যালয়ে সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশে নবনিযুক্ত দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত হু ক্যাং-ইল। ছবি : বাসস

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিদ্যুৎ খাতের উন্নয়ন ও দেশে একটি তথ্য-প্রযুক্তি (আইসিটি) প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনে দক্ষিণ কোরিয়ার বিনিয়োগ এবং সহযোগিতা কামনা করেছেন। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকায় নবনিযুক্ত দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত হু ক্যাং-ইল প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে প্রধানমন্ত্রী এ বিষয়ে কথা বলেন।

বাসস জানায়, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে গতকাল পৃথকভাবে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন নবনিযুক্ত দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত হু ক্যাং-ইল এবং ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত উইনি এস্ট্রাপ পিটারসেন। তাঁদের বৈঠকের পর প্রধানমন্ত্রীর প্রেসসচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন। রোহিঙ্গাদের নিজ দেশ মিয়ানমারে সফল প্রত্যাবাসন বিষয়ে অভিমত ব্যক্ত করেন দুই রাষ্ট্রদূত।

বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী কোরিয়ার রাষ্ট্রদূতকে জানান, তাঁর সরকার দেশের তথ্য-প্রযুক্তি খাতের উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে এবং এ ব্যাপারে দক্ষিণ কোরিয়া সহযোগিতার হাত প্রসারিত করলে কাজটি আরো সহজ হয়। তিনি বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষেত্রে দক্ষিণ কোরিয়াকে আরো বিনিয়োগের আহ্বান জানান।

বাংলাদেশের ক্রমবর্ধিষ্ণু অর্থনীতির ভূয়সী প্রশংসা করে দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত হু ক্যাং-ইল বলেন, ‘এটা খুবই প্রশংসার দাবি রাখে যে বাংলাদেশ বিগত কয়েক বছর যাবৎ ৬ শতাংশের ওপরে প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে। এটি একটি বিরাট অর্জন। দক্ষিণ কোরিয়া বাংলাদেশের অবকাঠামো উন্নয়ন এবং বিদ্যুৎ খাতে সহযোগিতাদানে প্রস্তুত রয়েছে। বাংলাদেশের সামনে একটি উজ্জ্বল ও ইতিবাচক ভবিষ্যৎ থাকায় আরো কোরীয়ু বিনিয়োগকারী বাংলাদেশে বিনিয়োগের জন্য আসবেন।’

রোহিঙ্গা ইস্যুতে রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘আমরা রোহিঙ্গাদের তাদের মাতৃভূমিতে সফল প্রত্যাবাসন প্রত্যাশা করি। রোহিঙ্গা ইস্যুতে জাতিসংঘ গৃহীত প্রস্তাবে দক্ষিণ কোরিয়া সমর্থন ব্যক্ত করেছে। আমরা ইতিমধ্যে রোহিঙ্গাদের জন্য ৫০ লাখ ডলার সহযোগিতা প্রদান করেছি।’

বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গা শরণার্থীদের বাংলাদেশ থেকে ফেরত নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে পুনরায় গুরুত্ব আরোপ করেন। রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর পুনর্বাসনে তাঁর সরকারের পদক্ষেপগুলো উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, রোহিঙ্গাদের অস্থায়ী আবাসনের জন্য সরকার নোয়াখালীতে একটি চরের উন্নয়ন ঘটাচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ সময় তাঁর সরকারের কৃষি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং নারীর ক্ষমতায়নের উল্লেখযোগ্য সাফল্যগুলো তুলে ধরেন। তিনি বলেন, সরকারের বিবিধ পদক্ষেপের কারণে দেশের নারীসমাজ এখন সব সেক্টরে অত্যন্ত সফলতার সঙ্গে কাজ করছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা