kalerkantho

সোমবার। ১৭ জুন ২০১৯। ৩ আষাঢ় ১৪২৬। ১৩ শাওয়াল ১৪৪০

চতুর্থ আন্তর্জাতিক জনগণের স্বাস্থ্য সম্মেলন

তৃণমূল পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবার পরিধি বাড়ানোর তাগিদ

নিজস্ব প্রতিবেদক, সাভার (ঢাকা)    

১৯ নভেম্বর, ২০১৮ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



চতুর্থ আন্তর্জাতিক জনগণের স্বাস্থ্য সম্মেলনের তৃতীয় দিনে মূল অধিবেশনের পাশাপাশি পাঁচটি উপ-অধিবেশন এবং সাতটি বিষয়ভিত্তিক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সাভারের খাগান এলাকায় ব্র্যাক সিডিএম মিলনায়তনে গতকাল রবিবার দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত হয় বিষয়ভিত্তিক এসব কর্মশালা।

মূল অধিবেশনের বিষয় ছিল স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে ন্যায়ভিত্তিক, জবাবদিহিমূলক, সর্বজনীন, সমন্বিত এবং যূথবদ্ধ করার লক্ষ্যে শক্তিশালী করার পথ। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন হেলথ অ্যাকশন ইনফরমেশন নেটওয়ার্ক, ফিলিপাইনের প্রধান ড. ডেলেন ডি লা পাজ। বক্তব্য দেন কলম্বিয়া ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক এবং কলম্বিয়া ন্যাশনাল মুভমেন্ট অব হেলথ অ্যান্ড সোশ্যাল সিকিউরিটির সদস্য ড. মরিসিও টরেজ, থাইল্যান্ডের জনস্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্যনীতি বিভাগে কর্মরত ড. রোপেপং সুপানচাইমাট, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য ও পরিবার এবং সামাজিক কল্যাণবিষয়ক সাবেক উপদেষ্টা, চক্ষু বিশেষজ্ঞ ড. সৈয়দ মোদাচ্ছের আলী।

বক্তারা স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে সর্বজনীন ও জবাবদিহিমূলক করার ক্ষেত্রে তৃণমূল পর্যায়ে স্বাস্থ্যব্যবস্থার পরিধি বাড়ানোসহ জিডিপি থেকে বরাদ্দ আরো বৃদ্ধির ওপর জোর দেন। থাইল্যান্ডের উদাহরণ দিয়ে ড. রোপেপং সুপানচাইমাট বলেন, তৃণমূল পর্যায়ে স্বাস্থ্য অবকাঠামো ও সেবায় বিনিয়োগের ফলে থাইল্যান্ডে নিম্ন পর্যায়ে উন্নয়নের ধারা শুরু হয়েছে, যা জাতীয় পর্যায়ে সর্বজনীন প্রাথমিক সেবা অর্জনে সাফল্য বয়ে এনেছে। বক্তারা এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশে বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর কমিউনিটি ক্লিনিকের কার্যক্রমের প্রশংসা করেন এবং জনগণ যাতে এর সেবা সম্পর্কে সচেতন হয়ে অংশগ্রহণ বাড়াতে পারে সে বিষয়ে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে আরো উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানান। এ ছাড়া বক্তারা জনগণের স্বাস্থ্যসেবায় অংশগ্রহণ বাড়ানোর মাধ্যমে সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবার লক্ষ্য অর্জনে জ্ঞান, নীতিমালার বাস্তবায়ন এবং সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার ওপর জোর দেন।

স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে শক্তিশালীকরণ ও অর্থায়ন শীর্ষক উপ-অধিবেশনে বক্তব্য দেন নেপালের ত্রিভুবন বিশ্ববিদ্যালয়ের কমিউনিটি মেডিসিন অ্যান্ড ফ্যামিলি হেলথ অব ইনস্টিটিউট অব মেডিসিনের অধ্যাপক ড. শারদ ওন্তা, জহরলাল ইনস্টিটিউট অব পোস্টগ্র্যাজুয়েট মেডিক্যাল অ্যান্ড রিসার্চের (জেআইপিএমআর) অধ্যাপক ড. টি সুন্দারমন, ঘানার কমিউনিটি স্বাস্থ্য আন্দোলনের কর্মী জন মাহামা। স্বাস্থ্যকর্মীদের ভূমিকা শীর্ষক উপ-অধিবেশনে বক্তব্য দেন সুইজারল্যান্ডের মেডিকাস মান্ডি ইন্টারন্যাশনালের নির্বাহী সম্পাদক থমাস শোয়ারয, নেদারল্যান্ডসের ওয়েমস ফাউন্ডেশনের স্বাস্থ্যনীতি উপদেষ্টা এবং গবেষক ড. রেমকো ভ্যান ডি পাজ, ভারতের স্বাস্থ্যবিষয়ক গবেষক সুজানা বারিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকার স্বাস্থ্য আন্দোলনের কর্মী নাওহি এমডাই। ওষুধে অভিগম্যতা শীর্ষক উপ-অধিবেশনে বক্তব্য দেন ভারতের প্রখ্যাত স্বাস্থ্য আন্দোলনের কর্মী মিরা শিভা, যুক্তরাজ্যের লিন্ডা মারকোভা, সেন্টার অব ইন্ডিয়ান ট্রেড ইউনিয়নের অমিতাভ গুহ এবং মালয়েশিয়ার প্রখ্যাত আইনজ্ঞ এবং থার্ড ওয়ার্ল্ড নেটওয়ার্কের পরিচালক চি ইয়ক লিং।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা