kalerkantho

রবিবার। ১৬ জুন ২০১৯। ২ আষাঢ় ১৪২৬। ১২ শাওয়াল ১৪৪০

বন্দরে কর্তৃত্ব নিয়ে সংঘর্ষে আহত ২০

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি    

১৯ নভেম্বর, ২০১৮ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



আধিপত্য বিস্তার ঘিরে নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার মদনপুর এলাকায় গতকাল রবিবার দুপুরে দুই গ্রুপের ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষে অন্তত ২০ জন আহত হয়। এ সময় পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয় এবং চার ঘণ্টার জন্য ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। ভাঙচুর করা হয় ১০-১২টি দোকান ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান।

বন্দর উপজেলার মদনপুর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য (ইউপি মেম্বার) খলিলুর রহমান ও স্থানীয় আমির হোসেনের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে আধিপত্য বিস্তার ও চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। এর জের ধরে এই সংঘর্ষ হয়। দুই পক্ষের মধ্যে এর আগেও কয়েক দফা সংঘর্ষ হয়।

এলাকাবাসী ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, গতকাল দুপুর ১২টায় মদনপুরে বাসস্ট্যান্ড এলাকায় নিজ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে বসা ছিলেন খলিল। ওই সময় আমির গ্রুপের কয়েকজন সেখানে জড়ো হলে তাদের সঙ্গে বাগিবতণ্ডায় জড়ান খলিল। একপর্যায়ে উভয় পক্ষের লোকজন একে অন্যের ওপর হামলা করলে সংঘর্ষের সূত্রপাত ঘটে। সংঘর্ষ চলাকালে উভয় পক্ষ মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিলে পরিস্থিতি আরো উত্তপ্ত হয়ে উঠতে থাকে। উভয় পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে একে অন্যের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। শুরু হয় ব্যাপক সংঘর্ষ। বন্ধ হয়ে যায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে যান চলাচল। সংঘর্ষ চলাকালে কয়েকটি দোকান ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে অগ্নিসংযোগ করা হয়। মহাসড়কে টায়ারে আগুন ধরিয়ে দেয় উভয় পক্ষের লোকজন। পরে অতিরিক্ত পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

এর মধ্যে মদনপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এম এ সালাম ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে খলিল মেম্বারের ওপর হামলাকারীদের শাস্তি নিশ্চিত করা হবে ঘোষণা দেওয়ার পর উভয় পক্ষের লোকজন শান্ত হয়। পরে বিকেল ৪টা থেকে যান চলাচল শুরু হয়।

সংঘর্ষে গুরুতর আহত খলিল মেম্বার ও শাহ আলমকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। অন্যরা স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নেয়।

বন্দর থানার ওসি আজহারুল ইসলাম সরকার জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে পুলিশ।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা